নয়াদিল্লি: মহম্মদ শামি, হরভজন সিং, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর এবার মহম্মদ কাইফ। রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভারতের উদ্দেশ্যে ইমরান খানের প্রছন্ন হুঁশিয়ারির তীব্র বিরোধিতা করে এর আগে নিন্দায় মুখর হয়েছিলেন প্রাক্তন থেকে বর্তমান ক্রিকেটাররা। রাষ্ট্রসংঘে দাঁড়িয়ে পাক প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার তাঁকে একহাত নিলেন জাতীয় দলের প্রাক্তন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান মহম্মদ কাইফ।

‘সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ধর্মের কোনও যোগ নেই।’ ইমরান খানের এমনই মন্তব্যকে শীর্ষক হিসেবে রেখে সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে। পাক প্রধানমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যকে খোঁচা দিয়ে টুইটারে কাইফ লেখেন, ‘ধর্মের যোগ না থাকলেও পাকিস্তানের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বহুল যোগাযোগ রয়েছে। পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদকে লালন করার এক নিরাপদ আখড়া। রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে আপনার মন্তব্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। মহান ক্রিকেটার থেকে পাক সেনা এবং সন্ত্রাসবাদীদের হাতের পুতুল হয়ে যাওয়া আপনার অধঃপতনের পরিচয়।’

সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সমাবেশের মঞ্চ থেকে ভারতকে পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি ছুঁড়ে দেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। জবাবে পাক প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনায় মুখর হয়ে তাঁকে ভর্ৎসনা করেন এক মার্কিনি সংবাদমাধ্যমের সঞ্চালক। সেই ভাইরাল ভিডিও বৃহস্পতিবার টুইটারে সেই পোস্ট করেন জাতীয় দলের প্রাক্তন ওপেনার বীরেন্দ্র সেহওয়াগ। বীরু লেখেন, ‘দিনকয়েক আগে রাষ্ট্রসংঘে তাঁর ভাষণের মধ্যে দিয়ে মানুষটি নিজেই নিজেকে অপমান করার বিভিন্ন রাস্তা খুলে দিয়েছেন।’

পরবর্তীতে সেহওয়াগকে সমর্থন জানিয়ে রাষ্ট্রসংঘের পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে পাক প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ার বার্তাকে ‘আবর্জনা’ বলে অভিহিত করেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। টুইটারে মহারাজ লেখেন, ‘‘বীরু ভিডিওটি দেখে আমি হতবাক। এমন ভাষণ না শোনাই শ্রেয়। সারা বিশ্বজুড়ে যখন শান্তি প্রয়োজন আর দেশ হিসেবে পাকিস্তানে যখন শান্তির বার্তা ছড়িয়ে পড়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেই সময় দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এমন নোংরা বুলি আওড়াচ্ছেন ইমরান খান। এই ক্রিকেটারকে বিশ্ব চেনে না।’

সৌরভের পাশাপাশি হরভজন কিংবা শামিরাও মুখর হয়েছিলেন ইমরানের নিন্দার। ক্রিকেটার হিসেবে বিশ্বজয়ী পাক অধিনায়ক ইমরান খানের গরিমা ক্রমশ ভুলুন্ঠিত। কাইফের এই মন্তব্য বর্তমানে পাক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিশ্বজুড়ে তাঁর নিন্দিত হওয়ার ঘটনায় নয়া সংযোজন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.