নয়াদিল্লি: পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের মুখে করোনা টিকার শংসাপত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবি থাকায় কমিশনে নালিশ ঠুকেছিল তৃণমূল। বাংলার শাসকদলের সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের জবাব তলব করল নির্বাচন কমিশন। বিধানসভা ভোটের মুখে করোনা টিকার শংসাপত্রে মোদীর ছবি দিয়ে ভোট ময়দানে বিজেপি সুবিধা নেওয়ার চেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। বাংলার শাসকদলের সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের কাছে জবাব তলব নির্বাচন কমিশনের।

বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। এরপরেও করোনা টিকার শংসাপত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছিল তৃণমূলে। তার পরেই এই মর্মে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের জবাব তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। যদিও তৃণমূলের এই অভিযোগ প্রসঙ্গে কমিশনের তরফে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। টিকার শংসাপত্রে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে শুধুমাত্র বাংলা থেকেই অভিযোগ জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে এব্যাপারে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর রাজ্যে আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হয়ে গিয়েছে। তার পরেও মোদীর ছবি-সহ করোনার শংসাপত্র বণ্টন নিয়ে আপত্তি তোলে বাংলার শাসকদল তৃণমূল। শুধু করোনার টিকার শংসাপত্রেই মোদীর ছবি নিয়ে অভিযোগ নয়, একইসঙ্গে পেট্রোল পাম্পগুলিতেও তেল সংস্থার বিজ্ঞাপনে নমোর ছবি লাগানোর প্রতিবাদ করেছে তৃণমূল। যদিও কমিশনের নির্দেশে পেট্রোল পাম্পগুলিতে থেকে মোদীর ছবি সরানোর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

নির্বাচনের মুখে করোনা টিকার শংসাপত্রে মোদীর ছবি থাকার আপত্তি তোলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। কমিশনকে দেওয়া চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘নির্বাচন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এরপরেও প্রধানমন্ত্রী টিকা দেওয়ার কো-উইন অ্যাপের প্রচারের মাধ্যমে অনৈতিকভাবে সুবিধা নিচ্ছেন। সরকারের প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিজের নাম প্রচার করছেন।’’

এর আগে তৃণমূলের সাংসদ সান্তনু সেনও করোনা টিকার শংসাপত্রে মোদীর ছবি থাকা নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন৷ তিনি এপ্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘‘আমরা জন্মের পর থেকেই ভ্যাকসিন নিয়ে আসছি৷ এমন ঘটনা কখনও ঘটেনি৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।