গান্ধীনগর: গত লোকসভা নির্বাচনে গুজরাতে ২৬-এ ২৬ পেয়েচিল বিজেপি। গত পাঁচ বছরে রাজনীতিতে এসেছে অনেক নতুন মোড়। ২০১৯-এ বদলেছে প্রার্থী। কিন্তু গুজরাত ধরে রাখাটা গেরুয়া শিবিরের কাছে অন্যতম চ্যালেঞ্জ। আর দিল্লির মসনদ ধরে রাখতে প্রাণপন লড়াই চলছে মোদী ও তাঁর সহযোদ্ধাদের। কঠিন পরীক্ষার আগে তাই মায়ের আশীর্বাদ নিতে গিয়েছিলেন তিনি। আর সেখানেই মোদীর হাতে বিশেষ চাদর দেন মা হীরাবেন।

মঙ্গলবার ভোট দেওয়ার আগে গান্ধীনগরের বাড়িতে গিয়ে মায়ের সঙ্গে দেখা করেন মোদী। মায়ের পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন। নিজের হাতে মাকে মিস্টি খাইয়ে দিয়েছেন তিনি। মা হীরাবেনও ছেলেকে খাইয়ে দিয়েছেন। মায়ের জন্য উপহার হিসেবে শাড়ি নিয়ে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেটিও মায়ের হাতে তুলে দেন তিনি।

এদিন মোদীকে একটি বিশেষ চাদর দিয়েছেন তাঁর মা। জানা গিয়েছে, লালরঙের ওই শাল আসলে মা মহাকালীর আশীর্বাদ। শক্তিপীঠ পাভাগড় থেকে ওই শাল আনিয়েছেন হীরাবেন। নির্বাচনে মোদীর ফলাফল যাতে আশাপ্রদ হয়, তার জন্য এই বিশেষ চাদর দিয়েছেন তাঁর মা।

গুজরাতে ২৬-এ ২৬ বজায় রাখতে মোদীকে ৫০০ টাকা ‘সগুন’ও দিয়েছেন হীরাবেন। সঙ্গে মোদীকে দিয়েছেন গুজরাতের এক বিশেষ মিষ্টি, কানসার।

মঙ্গলবার সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফার ভোট গ্রহণের দিনে আমেদাবাদে গিয়ে ভোট দেন মোদী। নিজের রাজ্য গুজরাতের রাজধানী শহর গান্ধীনগরে থাকেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মা হীরাবেন মোদী। মঙ্গলবার তৃতীয় দফার ভোট গ্রহণের দিনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে গান্ধীনগরে যান প্রধানমন্ত্রী।

দীর্ঘদিন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর থাকার পরে ২০১৪ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। বিপুল জনসমর্থন নিয়ে কেন্দ্রের ক্ষমতা দখল করে এনডিএ জোট। সেই নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের প্রধান মুখ ছিলেন নরেন্দ্র মোদী। পাঁচ বছর পরে ২০১৯ সালেও সেই মোদীকে ভর করেই নির্বাচনের বৈতরণী পার করতে চাইছে বিজেপি। গতবারের মত এবারেও দুই কেন্দ্র থেকেই লড়ছেন নরেন্দ্র মোদী। মায়ের আশীর্বাদ কতটা কার্যকর হচ্ছে তা জানা যাবে আগামি ২৩ মে।