নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিনামূল্যের রেশন প্রকল্প ঠিকমতো শুরু করতেই ব্যর্থ।‌ ১১ টি রাজ্যে ১ শতাংশের কম খাদ্যপণ্য বিতরণ হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ, গোয়া, গুজরাট, ঝাড়খন্ড, ,মহারাষ্ট্র ,মেঘালয় ,ওড়িশা ,সিকিম ,তামিলনাড়ু তেলেঙ্গানা এবং ত্রিপুরা হল সেই ১১ টি রাজ্য যেখানে যে পরিমাণ খাদ্যশস্য তোলা হয়েছে বিতরণ হয়েছে তার এক শতাংশের কম। উপভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য এবং গণবণ্টন মন্ত্রকের তথ্য এমনটাই জানাচ্ছে।

আবার এই রাজ্য গুলির মধ্যে গোয়া এবং তেলেঙ্গানায় খাদ্যপণ্য বিতরণের পরিমাণ একেবারে শূন্য। এই দুই রাজ্যের এপ্রিল এবং মে মাসে বিনামূল্যে রেশন দিতেই পারেনি। অন্যদিকে ছটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল- বিহার গুজরাট মহারাষ্ট্র তামিলনাড়ু সিকিম ও লাডাক জুন মাসে কোন খাদ্য বিতরণ করতে পারেনি।

অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৮ কোটি রেশন কার্ড হোল্ডার নয় এমন লোকেরা সুবিধা পেয়েছে। তবে লক্ষ্যমাত্রার এক-চতুর্থাংশকে বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ করা গিয়েছে। খাদ্য সচিব সুধাংশু পান্ডে জানিয়েছেন, গোটা দেশে ‌২.১৪ কোটি পরিযায়ী শ্রমিক বিনামূল্যে খাদ্য পেয়েছে। তিনি আরো বলেন, গোয়া এবং তেলেঙ্গানা সহ ছয় সাতটি রাজ্য কেন্দ্রকে জানিয়েছে, তারা কোন পরিযায়ী শ্রমিককে খাদ্য পণ্য বিতরণ করতে পারেনি কারণ তার আগেই ওই শ্রমিকরা তাদের রাজ্য ছেড়ে চলে গেছে।

রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আট লক্ষ টন মোট বরাদ্দ খাদ্য পণ্যের ৮০ শতাংশ তুলেছে। সেখানে এপ্রিল-মে দু মাসে তা বিতরণ করতে সক্ষম হয়েছে মাত্র ১.০৭ লক্ষ টন। যার ফলে দুশ্চিন্তা দানা বেঁধেছে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া কতটা কার্যকরী করা গেল সেই ব্যাপারে।

এদিকে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনা প্রকল্পের অধীনে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য বিতরণের সময়সীমা ২০২০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি জানান, উৎসবের সময় প্রয়োজন বাড়বে বলে সরকার পদক্ষেপ করছে যাতে উৎসবের মরসুমে গরিব মানুষদের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ করা যায়। সরকারের এমন উদ্যোগের ফলে ৮০ কোটি মানুষ উপকৃত হবে এবং রাজকোষ থেকে ৯০,০০০ কোটি টাকা বেরিয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ