কলকাতা:অবশেষে জল্পনার অবসান ঘটল, চন্দন মিত্রকে দেখা গেল তৃণমূলের ২১জুলাইয়ের মঞ্চে৷ বিশিষ্ট সাংবাদিক তথা বিজেপি-র এই নেতা দু’দফায় রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন৷ গত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর রটেছিল তিনি বিজেপি ছাড়ছেন বলে৷

কিন্তু তিনি নিজে কোনও মন্তব্য করেননি৷ পাশাপাশি শোনা যাচ্ছিল তিনি এবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন৷ এদিনে মঞ্চে হাজির হয়ে সেই বার্তাই মান্যতা দিলেন এই সাংবাদিক তথা প্রাক্তন সাংসদ৷

লালকৃষ্ণ আদবানির ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত চন্দন মিত্র ২০১৪ সালের পর থেকে নরেন্দ্র মোদি–অমিত শাহ জমানায় এখন অনেকটাই গুরুত্ব হারিয়ে দলে পিছনের সারিতে। তাছাড়া সম্প্রতি তাঁকে দলের প্রকাশ্য সমালোচনা করতেও দেখা গিয়েছে। মে মাসে উত্তরপ্রদেশের কৈরানা উপনির্বাচনে বিজেপি–র হারের পর তিনি মন্তব্য করেছিলেন, আখচাষিদের সমস্যার দিকটা আদৌ নজর দেয়নি দল।

দু’দফায় রাজ্যসভায় থাকা চন্দন প্রথমে ২০০৩ সাল থেকে ২০০৯ পর্যন্ত রাজ্যসভায় ‘মনোনীত সাংসদ’ ছিলেন। পরে ২০১০ সালের জুন মাসে বিজেপি তাঁকে মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভায় পাঠায়। ২০১৬ পর্যন্ত তিনি রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। তবে ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে চন্দন হুগলী কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী রত্না দে নাগের বিরুদ্ধে লড়ে হেরেছিলেন৷

কলকাতা লামার্টিনিয়ার স্কুলে প্রাক্তনী চন্দন মিত্র পরবর্তীকালে পড়াশুণা করেছেন দিল্লির সেন্ট স্টিফেন্স কলেজ৷ সেই সময় তাঁর সহপাঠী ছিলেন শশী থারুট ৷ শশীকে ওই সময় কলেজের ছাত্র সংসদের সভাপতি করার ক্ষেত্রে একটা ভূমিকা ছিল চন্দনের৷ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএ এবং এমফিল করা চন্দন অক্সফোর্ড থেকে ডক্টরেট করেন৷ সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন স্টেটসম্যান, টাইমস অফ ইন্ডিয়া, হিন্দুস্তান টাইমস৷ বর্তমানে তিনি ইংরেজি দৈনিক পাওনীয়র-র সম্পাদক৷

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।