নয়াদিল্লি: আবারও ‘এক দেশ, এক ভোটে’র পক্ষে সওয়াল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পরেই ‘এক দেশ, এক ভোটে’র পক্ষে সওয়াল করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে ভারতের মতো দেশে এই মডেল কার্যকর করা নিয়ে মতভেদ রয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির। তবে বিরোধীদের মতভেদ থাকলেও ‘এক দেশ, এক ভোটে’র পক্ষে সওয়াল করে আবারও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার অল ইন্ডিয়া প্রিসাইডিং অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়াল ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ভাষণেই তিনি ‘এক দেশ, এক ভোটে’র পক্ষে ফের সওয়াল করেন।

প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘‘গোটা দেশের স্বার্থেই এক দেশ, এক ভোট জরুরি। একই ভোটার তালিকা মেনে বিধানসভা, লোকসভা-সহ অন্য ভোট হলে সময়ের পাশাপাশি অর্থও বাঁচবে। এই ব্যবস্থা কার্যকর করা গেলে উন্নয়ন থমকে পড়বে না। বর্তমান পরিস্থিতি এটা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে।’’

২০১৪ সালে এনডিএ সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পরেই ‘এক দেশ, এক ভোটে’র পক্ষে সওয়াল করেচিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে ভারতের মতো দেশে নির্বাচন এক ‘দক্ষ-যজ্ঞ’।

একই সময়ে গোটা দেশের সবস্তরের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে না বলেই মত ছিল অধিকাংশ রাজনৈতিক দলগুলির। একাধিকদল বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা ও পরিকল্পনা জরুরি বলে জানিয়েছিল। তবে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলই প্রধানমন্ত্রীর এই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

এরপর একাধিক সভা-আলোচনাতেও ‘এক দেশ, এক ভোটে’র পক্ষে সওয়াল করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদীর কথা অনুসরণ করে বিভিন্ন সময়ে অমিত শাহ থেকে শুরু করে বিজেপির একাধিক নেতা-মন্ত্রীও ‘এক দেশ, এক ভোটে’র পক্ষে সওয়াল করেছেন। বৃহস্পতিবার আরও একবার নিজের পুরনো অবস্থান স্পষ্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের স্বার্থেই এবার ‘এক দেশ, এক ভোট’ নিয়ে ভাবার সময় এসেছে বলে মনে করেন নরেন্দ্র মোদী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।