স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রধানমন্ত্রীত্বের ষষ্ঠ বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে রক্তদান,বৃক্ষরোপণ সহ একাধিক সামাজিক কর্মসূচি গ্রহণ করল হাওড়া গ্রামীণ জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।হাওড়া গ্রামীণ জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে আজ গ্রামীণ হাওড়ার বাগনান বিধানসভার ৩ নং সাংগঠনিক মন্ডলে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্যসভা নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল,হাওড়া গ্ৰামীন জেলার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক প্রত্যুষ মন্ডল,বিজেপি নেতা অনুপম মল্লিক সহ অন্যান্যরা।এদিনের সভামঞ্চ থেকে আরেকবার রাজ্যের শাসকদলের উদ্দেশ্যে আক্রমণ শানান বিজেপি নেতা অনুপম মল্লিক।আম্ফান ত্রাণ দুর্নীতি,রেশনের চরি,অস্বাভাবিক বিদুৎ বিল সহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করেন।এর পাশাপাশি,আজ অন্যান্য দল থেকে মোট ২২০ জন কর্মী-সমর্থক বিজেপিতে যোগ দেন বলে হাওড়া গ্রামীণ জেলা বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে।

রবিবার ‘মন কী বাত’ প্রধানমন্ত্রী ফের সতর্ক হতে বলেন মানুষকে। এ দিন রেডিয়ো বার্তায় নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘এই করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্য এ বছর ১৫ অগস্টের উদ‌যাপনও অন্য একটা পরিস্থিতিতে হতে চলেছে। যুব সমাজের কাছে, দেশের মানুষের কাছে আর্জি জানাচ্ছি, এই স্বাধীনতা দিবসে মহামারীর থেকে স্বাধীনতা অর্জনের অঙ্গীকার করুন। আত্মনির্ভর ভারত গড়ার পথ খুঁজে বের করা, নতুন কিছু শেখা ও শেখানোর ব্যবস্থা করা এবং আমাদের দায়িত্ব-কর্তব্যগুলিকে একনিষ্ঠভাবে পালন করার অঙ্গীকার নেওয়া যাক।’

৬৬তম রেডিয়ো বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘বর্তমানে অন্যান্য দেশের থেকে আমাদের কোভিড ১৯-এ সুস্থতার হার যথেষ্ট ভালো। লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে আমরা সক্ষম হয়েছি। তবে করোনাভাইরাসের ভয় এখনও কাটেনি। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের এটা মাথায় রাখতে হবে যে শুরুর দিনের মতোই এখনও করোনাভাইরাস ততটাই মারাত্মক।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.