দেবময় ঘোষ: পঞ্চ পাণ্ডবের পাঁচ রথের মাঝেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে মিলিত হবেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং। ভারত এবং চিন পৃথিবীর প্রাচীন দুই সভ্যতা। দুই দেশের যোগাযোগের কথা ইতিহাসে পাওয়া যায়। ফা-হিয়েন, হু-এন-সাং, হর্ষবর্ধন ইতিহাসের পাতায় পাতায় দু’দেশের সম্পর্ক রচনা করেছে। যদিও সত্য যে, ১৯৬২ সালে যুদ্ধে জড়িয়েছে দুই দেশ। তবে সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দিয়ে এরপরে সীমান্তে আর একটিও গুলি চলেনি। যদিও সীমান্ত সমস্যা মেটেনি। দুদেশের সম্পর্কের প্রাচীনতার কথা মাথায় রেখে মোদী শি জিন পিং কে মহাভারতের যুগে নিয়ে যাবেন।

চেন্নাই থেকে ৫৮ কিলোমিটার দূরে এই মন্দির অবস্থিত। কথিত আছে, সপ্তম এবং অষ্টম শতাব্দীতে পল্লব রাজাদের সময়ে এই মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল। কথিত আছে, রাজা প্ৰথম নরসিংহবৰ্মণের রাজত্বকালে এই মন্দির গঠিত হয়।

করমণ্ডল উপকূলে একটি বিশাল পাথর খোদাই করে নিৰ্মিত হয় এই মন্দির। যাকে ইংরেজিতে বলা হয় ‘মনোলিথিক।’ সমগ্ৰ মন্দির নগরিতে প্ৰায় ৪০টা স্মারক আছে, যা অন্যতম দর্শনীয়। বিশ্বের বৃহত্তম মুক্তাঙ্গনে খোদিত ভাস্কৰ্য – ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান।

মোদী-জিন পিং ১১ অক্টোবর থেকে ১৩ অক্টোবর – এই দুই দিন মহাবলিপুরম মন্দির শহরের তিনটি মন্দির ভ্রমণ করবেন। মনে রাখা প্রয়োজন, দুই রাষ্ট্রনেতা কোনও তথাকথিত কূটনৈতিক বৈঠক করেছেন না। সৌজন্য বৈঠক এবং গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।

মহাবলিপুরম বৈঠক উপলক্ষে মঙ্গলবার থেকেই সাধারণ টুরিস্টদের জন্য দরজা বন্ধ করা হয়েছে। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে সার্কুলার জারি করে বলা হয়েছে যতক্ষণ ‘ভিভিআইপি ভিসিট’ চলবে, মন্দির এম জনতার জন্য বন্ধ থাকবে।

এদিকে সারা মহাবলিপুরম এলাকায় কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা। মন্দিরের রাস্তা এবং তার আশেপাশে ৫০০ পুলিশকর্মী রয়েছেন। স্থানীয় হোটেলগুলি যে করা উঠেছেন তা দেখা হচ্ছেন। রাস্তা ঘাট ঝা চকচকে করে ফেলা হয়েছে। কিছু তিব্বতি টেনজিং সুন্দু নামে এক তিব্বতি এবং তার ৮ বন্ধুকে গ্রেফতার করেছে।।তাঁরা সকলেই তিব্বতি বলে জানা গিয়েছে। তিব্বতের স্বাধীনতার দাবিতে চীনা প্রেসিডেন্টের সামনে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছিল তারা।