নয়াদিল্লি: মহাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার বাংলায় টুইট করে অষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন টুইটে তিনি লেখেন, ‘‘সকলকে জানাই মহাঅষ্টমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা। মা দুর্গার আশীর্বাদে সমগ্র দেশবাসীর জীবন যেন সুখে শান্তিতে, স্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ থাকে এই কামনা করি।’’

একুশের ভোটকে সামনে রেখে বঙ্গবাসীর মন জয়ের চেষ্টার কোনও কসুর ছাড়তে নারাজ গেরুয়া শিবির। ষষ্ঠীতে সল্টলেকের EZCC-এর দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করেছেন প্রধনমন্ত্রী নরেন্দ্র মেদী। দিল্লিতে বসেই ভার্চুয়ালি পুজোর উদ্বোধন সেরে যথেষ্ট উচ্ছ্বসিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। মহাষষ্ঠীর দুপুরে পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে ভাষণের শুরুতেই বাংলায় মোদী বলেন, দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা। কালীপুজো, দীপাবলিও আসন্ন। আপনাদের সকলকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’’

ষষ্ঠীতে পুজোর উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে উঠে আসে অনুকুলচন্দ্র ঠাকুর থেকে শুরু করে বাবা লোকনাথের নাম। বাংলার নস্টালজিয়া উত্তম-সুচিত্রা,শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও রাজা রামমোহন রায়, বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু ও আচার্য সত্যেন্দ্রনাথ বসুর অবদানেরও কথাও সেদিন উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

গত বৃহস্পতিবার বাংলার দুর্গাপুজোর উদ্বোধন সেরে মোদী নিজেও যথেষ্ট উৎসাহিত। প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন বাংলাকে। পুজোর উদ্বোধন সেরে তিনি বলেন, ‘‘এখানকার উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস দেখে মনে হচ্ছে এখন আমি দিল্লিতে নেই, কলকাতায় আপনাদের সঙ্গে রয়েছি।’’

এরপর শনিবার ফের বাঙালিদের মহাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট প্রধানমন্ত্রীর। টুইটে তিনি লেখেন, ‘‘সকলকে জানাই মহাঅষ্টমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা। মা দুর্গার আশীর্বাদে সমগ্র দেশবাসীর জীবন যেন সুখে শান্তিতে, স্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ থাকে এই কামনা করি।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.