কলকাতা: আবারও নমোর বঙ্গ-সফর। সম্ভবত চলতি মাসের ১৮ ও ২০ তারিখ রাজ্যে আসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১৮ মার্চ পুরুলিয়ায় দলের নির্বাচনী সভা করবেন নমো। ২০ মার্চ দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে বিজেপির সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে হাজির থাকতে পারেন মোদী। যদিও এব্যাপারে রাজ্য বিজেপির তরফে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

টার্গেট বাংলা। কোমরবেঁধে ময়দানে গেরুয়া শিবির। রবিবারের ব্রিগেডের সভা পদ্ম শিবিরের মিশন বাংলা ক্যাম্পনকে বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছে এব্যাপারে সন্দেহ নেই। গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপিতে নাম লিখিয়েই পুরোন মেজাজে দেখা গিয়েছে মিঠুনকে। ভরা ব্রিগেডে তাঁর একের পর এক সিনেমার সংলাপ বিজেপি কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করেছে অনেকটাই। ১২ মার্চ থেকে রাজ্যে পুরোদমে নির্বাচনী প্রচারও শুরু করে দেবেন মিঠুন। রবিবারই ব্রিগেডের সভা থেকে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী।

এবার ফের একবার রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে আসার সম্ভাবনা মোদীর। জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ১৮ ও ২০ তারিখ রাজ্যে আসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১৮ মার্চ পুরুলিয়ায় দলের নির্বাচনী সভা করবেন নমো। ২০ মার্চ দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে বিজেপির সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে হাজির থাকতে পারেন মোদী। তবে মোদীর এই সফর নিয়ে বিজেপির তরফে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। আগেই বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছিল, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে এবার রাজ্যের বিবিন্ন জেলায় মোট ২০টি নির্বাচনী সভা করবেন মোদী।

মোদী ছাড়াও পালা করে রাজ্যে আসবেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা-সহ বিজেপির কেন্দ্রীয়স্তরের একাধিক নেতা। একুশের ভোট প্রেস্টিজ ফাইট। বাংলা দখলে মরিয়া পদ্ম শিবির। সেই লক্ষ্যেই ঘুটি সাজাচ্ছেন মোদী-শাহ-নাড্ডারা। নিয়মিত কথা চলছে দলের রাজ্য নেতাদের সঙ্গে। কোন পথে এগোলে সাফল্য আসতে পারে, সেব্যাপারে দিলীপ, মুকুল, কৈলাশদের নিয়মিত টিপস দিচ্ছেন দলের শীর্ষ নেতারা। গেরুয়া শিবিরের রাজ্য নেতারাও নিয়মিত রিপোর্ট পাঠাচ্ছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী তৈরি হচ্ছে বাংলা দখলের রোডম্যাপ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।