নয়াদিল্লি: জওয়ানদের বলিদান নিয়ে রাজনীতি করছে মোদী সরকার৷ তোপ কংগ্রেসের৷ এদিন মোদী সরকার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের দ্বিতীয় বর্ষপুর্তি উপলক্ষ্যে পরাক্রম পর্বের সূচনা করে৷ কংগ্রেসের দাবি, মোদী সরকার এমন ভাব করছে যেন তাদের আমলে প্রথম সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছে৷ এর আগেও বিভিন্ন সরকারের আমলে এরকম সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছে৷ আসলে জওয়ানদের বলিদানকে রাজনীতির স্বার্থে ব্যবহার করতে চাইছে বিজেপি৷

শুক্রবার কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালা জানান, গত দু’দশক ধরে দেশের বীর যোদ্ধারা সাফল্যের সঙ্গে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক পরিচালনা করেছে৷ পরিসংখ্যান তুলে ধরে কবে কোথায় সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছিল তাও বিস্তারিত জানান তিনি৷ কংগ্রেস নেতা বলেন, ‘‘২০০০ সালের ২১ জানুয়ারি (নীলন নদীর কাছে), ২০০৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর (পুঞ্চের বারোহ সেক্টরের কাছে), ২০০৮ সালের ১৯ জুন (পুঞ্চের ভাট্টাল সেক্টর), ২০১১ সালের ৩০ অগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর ( নীলন নদীর পাড়ে সারদা সেক্টরে), ২০১৩ সালের ৬ জানুয়ারি (সাওয়ান পাত্র চেকপোস্টে), ২০১৩ সালের ২৭-২৮ জুলাই (নাজাপীর সেক্টরে), ২০১৩ সালের ৬ অগস্ট (নীলম উপত্যকায়) এ সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়৷ বিজেপি জমানায় ২০১৬ সালের ২৮-২৯ সেপ্টেম্বরের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক৷ এর থেকে পরিস্কার এনডিএ জমানার আগেও বহু সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছে ভারতীয় সেনা৷

এরপরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ জোরদার করেন কংগ্রেসের এই মুখপাত্র৷ জানান, এই সরকারের আমলে জম্মু কাশ্মীরের নিরাপত্তার সঙ্গে আপোস করা হয়েছে৷ পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসের বলি হয়েছেন ৪১৪ জন জওয়ান ও ২৫৯ কাশ্মীরি৷ ২০১৪ সালের মে মাসের পর থেকে সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন ৫০০ গুণ বেড়ে গিয়েছে৷ কোথায় গেল ৫৬ ইঞ্চির ছাতি? মোদীর সমালোচনা করতে গিয়ে টেনে আনেন রাফায়েল প্রসঙ্গ৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।