কলকাতা : শনিবার রাজ্যে চলছে পঞ্চম দফার ভোট গ্রহণ। ৬ জেলার মোট ৪৫ টি আসনে এদিন চলছে ভোট গ্রহণ। ৬ টি জেলার মধ্যে রয়েছে পূর্ব বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগণা, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও নদীয়া। পঞ্চম দফার ভোটের দিন ভোটারদের বিপুল পরিমাণে ভোট প্রয়োগের আর্জি জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এদিন এক টুইট বার্তায় মোদী জানান, “পশ্চিমবঙ্গে আজ পঞ্চম দফার নির্বাচনে ভোটদাতাদের বিপুল পরিমাণে ভোট দেবার আহ্বান জানাই। বিশেষত প্রথম বার যারা ভোট দিচ্ছেন, তাঁরা অবশ্যই ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।”

প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি এদিন টুইট করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তিনিও রেকর্ড সংখ্যায় ভোটদানের আবেদন করেছেন। টুইট বার্তায় তিনি লেখেন, “আমি বাংলার পঞ্চম দফার নির্বাচনে সকল ভোটারদের আবেদন করছি যে আপনারা অধিক থেকে অধিকতর সংখ্যায় ভোট দিন।”

আরও খবর পড়ুন – West Bengal Assembly Election Live Update: বর্ধমানের দুবরাজদিঘিতে মারধরে মাথা ফাটল বিজেপি কর্মীর, অভিযুক্ত তৃণমূল

একই সঙ্গে বাংলার গৌরবকে উল্লেখ করে টুইটে শাহ লেখেন “আপনার একটি ভোট রাজ্যের কৃষকদের তাদের অধিকার, যুবকদের রোজগার এবং বাংলার গৌরবকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

টুইট করেছেন রাজনাথ সিংও। তিনি লিখেছেন, “আজ পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের পঞ্চম পর্বের ভোট গ্রহণ। সমস্ত যোগ্য ভোটারদের তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য অনুরোধ করছি।”

উল্লেখ্য, এবারের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের নিরিখে যুযুধান দুই পক্ষ নিঃসন্দেহে বিজেপি ও তৃণমূল। এদিনকার নির্বাচন সেই হিসেবে দুই পক্ষের কাছেই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। কারণ দক্ষিণবঙ্গে আজ যে যে জায়গায় ভোট সেখানে গত লোকসভার নিরিখে প্রায় সমান সমানে টক্কর দিয়েছে তৃণমূল-বিজেপি। ফলে আজকে মানুষ কার দিকে রায় দেয় তা নিঃসন্দেহে ২ মে গণনার দিন বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

অন্যদিকে শনিবার সকাল ৯ টা অবধি বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া রাজ্যের ভোট মোটামুটি চলছে নির্বিঘ্নেই। ভোট দিতে বুথে বুথে লাইন দিয়েছেন ভোটাররা। করোনা বিধি মেনে চলছে ভোটগ্রহণ। চতুর্থ দফার বড়সড় অশান্তির পরে আজ অতিরিক্ত সতর্ক ইলেকশন কমিশনও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.