নয়াদিল্লি:  এপ্রিলের পর ফের ট্রাম্পের সঙ্গে কথা হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। মঙ্গলবারই তাঁদের মধ্যে কথা হয়। মোদী নিজেই ট্যুইট করে জানিয়েছেন সেকথা।

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে একাধিক বিষয়ে কথা হয়েছে দুই দেশের। তার মধ্যে ভারত-চিন সংঘাতের প্রসঙ্গও রয়েছে। যদিও ঠিক কী কথা হয়েছে, তা জানানো হয়নি। আগে অবশ্য ভারত ও চিনের মধ্যে মধ্যস্থতা করার বার্তা দিয়েছিলেন ট্রাম্প।

এছাড়া G7 সামিটেও ট্রাম্প আমন্ত্রণ করেছেন মোদীকে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি চিন প্রসঙ্গে কড়া নিন্দা করেছেন মার্কিন সচিব মাইক পম্পেও। একটি পডকাস্টে পম্পেও বলেন, ‘আমরা সাম্প্রতিককালে দেখলাম কীভাবে চিনের বাহিনী ভারতের উত্তরে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যাতে স্বাভাবিক ভাবেই উত্তেজনা বাড়ছে। এমনকি দুটি বিচ্ছিন্ন সংঘাতের ঘটনাও ঘটেছে।’

একই সঙ্গে করোনা প্রসঙ্গেও পম্পেও বলেন, ‘উহান থেকে শুরু হওয়া মহামারীর যে চিন সঠিক সময়ে জানায়নি, সেটাও লুকিয়ে যাচ্ছে চিনের কমিউনিস্ট ওআর্টি। চিন হংকংয়ের মানুষের স্বাধীনতা হরণ করেছে।’ দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের দাদাগিরির কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

কিছুদিন আগেই ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, মোদীর সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর। চিন সংঘাতের জন্যই মন ভালো নেই তাঁর।

এমন মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি জানায়, ট্রাম্পের সঙ্গে কোনও কথাই হয়নি মোদীর। চিন প্রসঙ্গে কথা তো দূরে থাক, এপ্রিলের পর আর কথা হয়নি দুই রাষ্ট্রনেতার।

গত ৪ এপ্রিল শেষবার কথা হয় দু’জনের। বিষয় ছিল ‘হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন।’ ভারত থেকে ওষুধ পাঠানোর কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। প্রসঙ্গত, কথাবার্তার পর ভারত সেই ওষুধ দ্রুত পাঠিয়েও দেয় আমেরিকায়। কিন্তু এরপর আর কথা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।

অথচ হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প স্পষ্ট দাবি করেছেন, ভারত ও চিনের মধ্যে একটি ‘বড় দ্বন্দ্ব’ চলছে। পাশাপাশি ট্রাম্প যে মোদীকে ভদ্রলোক হিসেবে পছন্দ করেন তাও বলছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি।

কয়েকদিন ধরে লাদাখের কাছে চিন সীমান্তে যে সংঘাতে মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও চিনের সেনাবাহিনী। এ প্রসঙ্গে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্যুইট করে মধ্যস্থতা করার কথা বলেছেন তিনি। লিখেছেন, ”আমরা ভারত ও চিন উভয়কেই বলেছি যে আমেরিকা প্রস্তুত আছে। সীমান্ত সমস্যা নিয়ে আমরা মধ্যস্থতা করতে রাজি।

গত কয়েকদিন ধরে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের কাছে লাদাখে চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়ে আছে দুই দেশের সৈন্য। মূলত প্যাংগং তোসো লেক ও গালোয়ান ভ্যালির কাছে এই ঘটনা ঘটছে। ওই অঞ্চলে চিনের কয়েক হাজার সৈন্য এগিয়ে এসেছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প