নয়াদিল্লি: ফের দেশবাসীর উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার সকাল ৯ টায় ভিডিও নয়াসমেসেজের মাধ্যমে ওই বার্তা দেবেন তিনি।

এর আগে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে লকডাউনের ঘোষণা করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। ২ দিনের লকডাউন জারি করেছিলেন তিনি। আপাতত সেই লকডাউন চলছ দেশ জুড়ে। তার মধ্যেও প্রতি মুহূর্তে বেড়ে চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। তাই এরকম একটা সময়ে মোদীর বক্তব্যের দিকে তাকিয়ে থাকবে দেশবাসী।

এমনিতেই আগামিদিনে লকডাউন আরও বাড়ানো হবে কিনা, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। সে বিষয়ে মোদী কিছু বলবেন বলে অনুমান।

তবে দেশে লকডাউন জারি থাকলেও, তা সঠিকভাবে মানছেন না অনেকেই। আর সেই জন্যই মোদী বার্তা দিতে পারেন বলেও মনে করা হচ্ছে। বিশেষত সম্প্রতি নিজামুদ্দিনের ঘটনাটা সামনে এসেছে। অন্তত ৯০০০ মানুষ সেই জমায়েতে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে, যার মধ্যে অনেকেই করোনা আক্রান্ত।

এদিকে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। সংখ্যাটা বেড়েছে রাজ্যেও।

বৃহস্পতিবার করোনা নিয়ে রাজ্যের বিশেষজ্ঞ কমিটির তরফে বলা হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৪ জনের রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে৷ এদের মধ্যে ১৬ জনের শরীরে COVID19 ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে৷ অর্থাৎ রাজ্যের মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল মোট ৫৩ জন৷ এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোটে ৭৬৩ জনের রিপোর্ট এসেছে পাওয়া গিয়েছে বলে জানায় চিকিৎসকদের বিশেষজ্ঞ কমিটি৷

বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে ৩ জনে করোনা আক্রান্তের মৃত্যর খবর জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তারপর অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যুর খবর হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি৷ ফলে এ পর্যন্ত রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত মোট ৭ জনের মৃত্য হয়েছে বলে সরকারি তরফে জানানো হয়েছে৷

গত ২৪ ঘণ্টায় মোটা ১৩৭ জনকে রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে বলেও এদিন বিশেষজ্ঞ কমিটির তরফে জানানো হয়৷ তবে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে কোনও আক্রান্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেনি বলেও জানানো হয়৷ ফলে এখনও পর্যন্ত রাজ্যের মোট ৩ জন করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে জিতে বাড়ি ফিরেছেন৷ এঁরা হলেন রাজ্যের করোনা আক্রান্ত প্রথম তিন জন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।