নয়াদিল্লি: ভারত ও চিন সংঘাতে মধ্যস্থতার বার্তা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন দাবিও করেছিলেন যে, মোদীর নাকি মেজাজ ভালো নেই চিনের এই ঔদ্ধত্যের জন্য। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা হল মোদীর।

ভারত-চিন সংঘাত এখনও জারি লাদাখের সীমান্তে। তার মধ্যেই কথা হল দুই রাষ্ট্রনেতার। যদিও তাঁদের মধ্যে চিন সংক্রান্ত কোনও কথা হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

মঙ্গলবার নরেন্দ্র মোদী ট্যুইট করে জানান যে তাঁর সঙ্গে ট্রাম্পের কথা হয়েছে। তিনি লিখেছেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আমার কথা হল। করোনা সহ একাধিক বিষয় নিয়ে কথা হল।’ তিনি আরও লিখেছেন যে, ‘করোনা পরবর্তীকালেও ভারত ও আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক গভীর থাকবে।’

কিছুদিন আগেই ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, মোদীর সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর। চিন সংঘাতের জন্যই মন ভালো নেই তাঁর।

এমন মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি জানাল, ট্রাম্পের সঙ্গে কোনও কথাই হয়নি মোদীর। চিন প্রসঙ্গে কথা তো দূরে থাক, এপ্রিলের পর আর কথা হয়নি দুই রাষ্ট্রনেতার।

গত ৪ এপ্রিল শেষবার কথা হয় দু’জনের। বিষয় ছিল ‘হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন।’ ভারত থেকে ওষুধ পাঠানোর কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। প্রসঙ্গত, কথাবার্তার পর ভারত সেই ওষুধ দ্রুত পাঠিয়েও দেয় আমেরিকায়। কিন্তু এরপর আর কথা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।

অথচ হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প স্পষ্ট দাবি করেছেন, ভারত ও চিনের মধ্যে একটি ‘বড় দ্বন্দ্ব’ চলছে। পাশাপাশি ট্রাম্প যে মোদীকে ভদ্রলোক হিসেবে পছন্দ করেন তাও বলছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি।

কয়েকদিন ধরে লাদাখের কাছে চিন সীমান্তে যে সংঘাতে মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও চিনের সেনাবাহিনী। এ প্রসঙ্গে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্যুইট করে মধ্যস্থতা করার কথা বলেছেন তিনি। লিখেছেন, ”আমরা ভারত ও চিন উভয়কেই বলেছি যে আমেরিকা প্রস্তুত আছে। সীমান্ত সমস্যা নিয়ে আমরা মধ্যস্থতা করতে রাজি।

গত কয়েকদিন ধরে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের কাছে লাদাখে চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়ে আছে দুই দেশের সৈন্য। মূলত প্যাংগং তোসো লেক ও গালোয়ান ভ্যালির কাছে এই ঘটনা ঘটছে। ওই অঞ্চলে চিনের কয়েক হাজার সৈন্য এগিয়ে এসেছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প