নয়াদিল্লি: করোনার সঙ্গে লড়াই করছে গোটা বিশ্ব, বাদ যায়নি ভারত। আর করোনাভাইরাসের উৎস চিনে। ভারতে যখন লকডাউন চলছে, তারই মধ্যে কথা হলো দুই দেশের।

ভারত ও চিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ৭০ বছরে পা রাখল ১ এপ্রিল, বুধবার। আর সেই উপলক্ষে এদিন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট এবং বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান হয়। দুই দেশের সম্পর্ক কোথা থেকে শুরু, এখন কি অবস্থায় আছে এবং আগামী দিনে লক্ষ্য কি, মূলত তা নিয়ে কথা হয় এদিন।

চিনের প্রিমিয়ার লি কেকিয়াং কি দেওয়া বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এদিন বলেন, করোনা মহামারী আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছে যে গোটা বিশ্বের প্রকৃতি আসলে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত। তাই গোটা বিশ্বকে এক সঙ্গে লড়াই করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মোদী এদিন আরও বলেন, ভারত এবং চিন দুটি প্রাচীন সভ্যতা। কয়েকশো বছর ধরে দুই দেশের সম্পর্কের ইতিহাস রয়েছে। মোদীর কথায়, ভারতের চিনের সুসম্পর্ক শুধুমাত্র আঞ্চলিক শান্তি ও উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, গোটা বিশ্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বর্তমানে আমরা দুই দেশই উন্নয়নশীল এবং বিশ্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারি।” আগামী দিনে যাচ্ছে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্ত হয় সেই বার্তাই দিলেন মোদি।

বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর চিনের বিদেশ মন্ত্রী ইয়াং একটি চিঠিতে উল্লেখ করেন, আগামী দিনগুলোতে ভারত ও চীন একসঙ্গে কাজ করে যাবে। যেদিন গোটা বিশ্ব কবিড ১৯ কে হারিয়ে দিতে পারবে সেদিন দুই দেশ এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অন্যদিকে চিনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিং কে বার্তা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। তিনি চিনের জন্য শুভেচ্ছা কামনা করেছেন। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সহ একাধিক ক্ষেত্রে গত কয়েক বছরে দুই দেশের সম্পর্ক যে বেশ মজবুত হয়েছে সে কথা বলেছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।