স্টাফ রিপোর্টার: আবারও অটল-আবেগ উসকে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ রবিবার সকালে ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে তিনি সদ্য প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিচারণা করেন৷ বাজপেয়ীর সিদ্ধান্ত কীভাবে ভারতের অগ্রগতিকে নতুন দিশা দিয়েছিল, সেকথাও ওই অনুষ্ঠানে ব্যাখ্যা করেন প্রধানমন্ত্রী৷

প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানটি শুরু করেন নরেন্দ্র মোদী৷ প্রতি মাসের শেষ রবিবার রেডিও বার্তায় গোটা দেশে তিনি নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন৷

আরও পড়ুন: গুরদুয়ারায় নামাজপাঠ! হৃদয় জয় করে নিল সেই ভিডিও

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর মৃত্যুর পর এটাই ছিল প্রথম ‘মন কি বাত’৷ স্বাভাবিকভাবেই তাই প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীকে নিয়ে কথা বলবেন বলে সকলের ধারণা ছিল৷ সেই ধারণা ভুল হয়ওনি৷ প্রত্যাশা মতোই ‘মন কি বাতে’ মোদী ফের উসকে দিয়েছেন অটল-আবেগ৷ বলেছেন, ‘‘১৬ অগস্ট যখন দেশ-বিদেশের মানুষ অটলজির প্রয়াণের খবর পেয়েছেন, তখন থেকেই তাঁরা ডুবেছেন শোকের সাগরে৷’’

আরও পড়ুন: লিভারপুলের জয়ের হ্যাটট্রিক, প্রথম জয় আর্সেনালের

২০০৪ সালে ভোটে হেরে প্রধানমন্ত্রী চলে যায় অটলবিহারী বাজপেয়ীর৷ তার এক বছর পর তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান৷ এর পর কয়েক বছর তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা গেলেও ২০০৯ সাল থেকে অন্তরালেই ছিলেন৷ সেকথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘দশ বছর কম সময় নয়৷ কিন্তু ১৬ অগস্ট গোটা বিশ্ব দেখল সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে এক মুহূর্তের জন্য তাঁর কোনও দূরত্ব তৈরি হয়নি৷’’

আরও পড়ুন: দেশের জাতীয় পতাকার রঙ ভুল করলেন ট্রাম্প

মোদীর মতে, বাজপেয়ীর ব্যক্তিত্ব ঠিক কতটা উঁচু ছিল এই শ্রদ্ধাতেই তা প্রমাণিত হয়৷ একজন সেরা সাংসদ, কবি, সুবক্তা ও ভালো প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্যই মানুষ বাজপেয়ীকে মনে রেখেছেন বলেই মত নরেন্দ্র মোদীর৷

এর পরই তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাজপেয়ী কী কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, সেই ব্যাখ্যা দেন৷ সরকারে মন্ত্রীর সংখ্যা কমিয়ে খরচ বাঁচানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া, দলত্যাগ বিরোধী আইনকে কঠোর করা, বাজেট পেশের সময়কে এগিয়ে নিয়ে আসা, জাতীয় পতাকার ব্যবহার সাধারণ মানুষের জন্য আরও সহজলভ্য বাজপেয়ীর আমলে করা হয়েছে বলে মোদী দাবি করেন৷

আরও পড়ুন: কুলদীপ বেঁচে আছে কিনা জানা নেই! তবু পাক জেলে রাখি পাঠান বোন