নয়াদিল্লি: বুধবার এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী গোটা দেশ। ২৯ বছরের বিতর্ক শেষে হচ্চে রাম মন্দিরের ভূমি পূজা। সুপ্রিম কোর্ট অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে হিন্দুদের বলে চিহ্নিত করার পরই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। এবার শুরু হবে রাম মন্দির গঠনের কাজ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সংকল্প করে সেই প্রক্রিয়া শুরু করলেন।

এদিন হনুমানগড়ি মন্দিরে আরতির পর রামলাল্লার আরতি করেন মোদী। সেখান থেকেই ভূমিপূজনের দিকে যান তিনি। জানা যায়, খুব অল্প বয়স থেকে আধ্যাত্মিকতার প্রতি আকর্ষণ ছিল মোদীর। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই সংসার ছেড়ে হিমালয় পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি।

জানা যায়, হিমালয়ের গিয়ে মোদীজি সাধুর মত দু বছর কাটিয়েছিলেন। হিমালয়ের গুয়ায় থাকতেন তিনি। সেই সময় মোদীজিকে এক সাধু জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে উনি এখানে কেন এসেছেন। উত্তরে মোদী বলেছিলেন,”ঈশ্বরের খোঁজে উনি হিমালয়ে এসেছেন “। আর তার উত্তরে সাধু বলেছিলেন, তোমার বয়স কম। তুমি সমাজের ও দেশের সেবা করে ঈশ্বর প্রাপ্তি করতে পারো।

এরপরই ফিরে আসেন তিনি। সন্ন্যাসী হিসাবে কলকাতা বেলুড় মঠেও এসেছিলেন। তার আগে বিয়ে হলেও বৈবাহিক জীবনে আর ফিরে যাননি তিনি।

ছোটবেলা থেকেই মোদী সাধু-সন্তদের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। তাই তাঁর মায়ের মনে হত তিনি সাধু হয়ে যেতে পারেন। তাই কম বয়সে বিয়েও করিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর মা। বাড়ি থেকে সংসার জীবন শুরু করার জন্য মোদিজির ওপর চাপ দেওয়া হতে থাকে তখন তিনি বাড়ি ছেড়ে হিমালয় চলে যান।

মোদীর এই তথ্য প্রকাশ্যে আসে ২০১৫সালে, যখন পশ্চিমবঙ্গে তিনি বেলুড় মঠে আসেন৷ শোনা যায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময় মোদীর জ্যাকেটে যে ফুলটি ছিল তা মঠের থেকে প্রসাদরূপে এসেছিল৷ বেলুড় মঠে তিনি স্বামী আত্মস্থানন্দের সঙ্গে দেখা করেন , যাঁকে তিনি গুরু হিসেবে মনে করেন৷ তখনই প্রকাশ্যে আসে অনেক আগে মোদী এই মঠে আসেন সন্ন্যাস গ্রহণের জন্য৷ কিন্তু তাঁর অনুরোধ মানা হয়নি সে সময়৷

শোনা যায়, সে সময় মোদীর বয়স ছিল ১৬বছর৷ তখনই স্বামী আত্মস্থানন্দের কাছে দীক্ষা নেন তিনি৷ মোদী তাঁর আইডল স্বামী বিবেকানন্দকে অনুসরণ করে হিমালয়ে গিয়েছিলেন বলে শোনা যায়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।