নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লাদাখ সফর নিয়ে ঘোরতর অস্বস্তিতে চিন। মোদীর লাদাখ সফর যে চিনের পক্ষে বেশ অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠল, তা চিনা বিদেশমন্ত্রকের একটি বিবৃতিতেই পরিস্কার হয়েছে। সরাসরি মুখে কিছু না বললেও বেজিং জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতির কথা বিচার করেই এমন কোনও উস্কানিমূলক মন্তব্য করা উচিত নয়, যাতে করে উত্তেজনা আরও বাড়ে।

সীমান্তে উত্তেজনার আবহেই শুক্রবার ভোরে লাদাখে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লেহ থেকে সেনার চপারে করে নিমুতে ফরোয়ার্ড পোস্টে পৌঁছন মোদী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত ও সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে। সীমান্তে মোতায়েন সেনার মনোবল বাড়াতে তাঁদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মাতৃভূমির প্রতি আপনাদের সাহসিকতা সারা বিশ্বজুড়ে অতুলনীয়। ভারতবাসী বিশ্বাস করে, ভারতীয় সেনারা প্রত্যেকে দেশকে শক্তিশালী ও সুরক্ষিত করতে পারে।’’

সেনা জওয়ানদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘যে পরিস্থিতিতে আপনারা কঠোর পরিশ্রমে নিজেদের সবটা উজাড় করে দিচ্ছেন, তাতে বারবার প্রমাণিত হয় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী বিশ্বের সবার চেয়ে শক্তিশালী এবং উন্নত।’’

ঠিক তার কিছুক্ষণের মধ্যেই মোদীর সফর নিয়ে মুখ খুলেছে চিন। এদিন আলোচনার মাধ্যমেই সীমান্ত জট কাটানোর বার্তা দিয়েছে বেজিং।

এপ্রসঙ্গে চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, “ভারত ও চিন আলোচনার মাধ্যমে সীমান্তের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। বর্তমান পরিস্থিতির কথা বিচার করেই এমন কোনও পদক্ষেপ বা মন্তব্য করা উচিত নয় যা গোটা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।’’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ