কলকাতা: প্রয়াত কবি শঙ্খ ঘোষ। জ্ঞানপীঠ পুরস্কার প্রাপ্ত এই কবির প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলার সাহিত্য জগৎ। করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন শঙ্খ ঘোষ। আজ সকালে বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয়। ৮৯ বছরের এই কবির প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। প্রত্যেকেই বাংলায় টুইট করে শোকজ্ঞাপন করেছেন। বাংলার পাশাপাশি ইংরেজিতেও টুইট করেছেন নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ।

গত ১২ এপ্রিল করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন বর্ষীয়ান কবি শঙ্খ ঘোষ। তাঁর হালকা জ্বর এসেছিল। বাড়িতেই চিকিৎসা চলছিল এতদিন। মঙ্গলবার রাতে হঠাৎই তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হয়। শেষমেশ বুধবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। শঙ্খ ঘোষের প্রয়াণে শোকাহত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শোকবার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘‘শঙ্খদার পরিবার তাঁর মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। গান স্যালুট পছন্দ করতেন না উনি। তেমনটাই জানিয়েছেন তাঁর মেয়ে।’’ পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি এদিন শঙ্খ ঘোষের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। টুইটে তাঁর শোকবার্তায় নরেন্দ্র মোদী এদিন লিখেছেন, ‘‘বাংলা ও ভারতীয় সাহিত্যে তাঁর অবদানের জন্যে শঙখ ঘোষ স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর রচনা বহুপঠিত এবং শ্রদ্ধেয়। তাঁর মৃত্যুতে শোকাভিভূত। তাঁর পরিবার ও স্বজনদের জানাই সমবেদনা। ওঁ শান্তি।’’

শঙ্খ ঘোষের প্রয়াণে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ টুইটে তাঁর শোকবার্তায় লিখেছেন, ‘‘প্রখ্যাত বাঙালী কবি ও সাহিত্য আকাদেমি পুরষ্কার প্রাপ্ত শ্রী শঙ্খ ঘোষ মহাশয়ের মৃত্যু সংবাদে আমি মর্মাহত। তিনি সর্বদা আমাদের হৃদয়ে গ্রথিত থাকবেন তাঁর অসামান্য কবিতার জন্য যেখানে সামাজিক চিত্রকে গভীরভাবে অংকন করেছেন।তাঁর পরিবার ও অনুরাগীদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা রইল।ওম শান্তি।’’

এরই পাশাপাশি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা তাঁর শোকবার্তায় লিখেছেন, ‘‘পদ্মভূষণ সম্মান, সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার, রবীন্দ্র পুরস্কার, সরস্বতী সম্মান ও জ্ঞানপীঠ পুরস্কারে সম্মানিত বাংলার বিখ্যাত কবি শঙ্খ ঘোষের প্রয়ানে আমি গভীর ভাবে শোকাহত। ওনার আত্মার চির শান্তি কামনা করি।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.