স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে থেকেই রাজ্যজুড়ে প্রচারে ঝড় তুলেছে বিজেপি। প্রায় রোজই দলের রথী মহারথীদের ময়দানে নামাচ্ছে তারা। প্রায় প্রতি সপ্তাহে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় বিজেপির কোনও না কোনও শীর্ষ নেতৃত্ব। জেপি নাড্ডা, অমিত শাহ থেকে শুরু করে বাদ যাচ্ছেন না  নরেন্দ্র মোদীও। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এই ঘনঘন বাংলায় আসাকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী তথা রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য৷

আগামী রবিবারই ব্রিগেড সভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। তবে শুধু ব্রিগেডই নয়, জানা গিয়েছে, ভোটের বাংলায় ২০টি সভা করবেন তিনি৷ সূত্রের খবর, এমনভাবে সভার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যাতে ২৩টি জেলাতেই যেতে পারেন নমো। মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে এপ্রসঙ্গে চন্দ্রিমা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি ভাল রাস্তা দেখতেই নরেন্দ্র মোদী- অমিত শাহরা বারবার আসছেন বাংলায় আসছেন৷’ সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, বাম-কংগ্রেসের লোকেরাই ৭ তারিখের ব্রিগেডে থাকছে কিনা, সেপ্যাপারেও তাঁদের নজর থাকবে৷

কদিন আগেই জেপি নাড্ডাকে বাংলার ‘পেটুক জামাই’ বলে আখ্যা দিয়ে শানিয়েছিলেন চন্দ্রিমা৷ তিনি বলেছিলেন, ‘মাঝে মাঝেই পেটুক জামাই আসছেন। যেখানে সেখানে পাত পেড়ে খেয়ে যাচ্ছেন। জামাইষষ্ঠীর দিন এলে ২১ পদ রান্না করে মা বোনেরা খাওয়াবে। তার আগে হাতা খুন্তির শব্দ শুনতে হবে।’

বাংলা দখলের লড়াইয়ে ভোটের আগে প্রায়ই বঙ্গ সফরে আসছেন মোদী-শাহ-নাড্ডারা। এ নিয়ে ‘বহিরাগত’ শব্দ প্রয়োগ করে আক্রমণ শানাচ্ছে বাংলার শাসকদল। ‘বহিরাগত’ তকমা নিয়ে ভোটমুখী বাংলায় সরগরম রাজনীতি। এই আবহে বাংলাজুড়ে মোদীর ২০টি সভা করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা রাজনৈতিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে পর্যবেক্ষক মহলের একাংশ।

৮ই মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে এদিন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, সারা ভারতবর্ষের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । বাংলার মহিলাদের জন্য তিনি কাজ করে চলেছেন। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে মহিলাদের ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে লড়াই করছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী পঞ্চায়েতে ৫০ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করেছেন। এছাড়া কন্যাশ্রী  প্রকল্প দিয়ে রাজ্যের মেয়েদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী সমাজ সংস্কারের কাজ করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.