নয়াদিল্লি: ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদীর ট্যুইটার হ্যান্ডেলে নামের আগে বসিয়ে দেওয়া হয় ‘চৌকিদার’। শুধু নরেন্দ্র মোদী নয়, অমিত শাহ, রাজনাথ সিং থেকে শুরু করে মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ কিংবা বাবুল সুপ্রিয়দের নামের আগেও বসে যায় ‘চৌকিদার’। ফল প্রকাশের পর উঠে গেল সেই ‘চৌকিদার’।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই প্রথম ট্যুইটার থেকে উড়িয়ে দিলেন এই শব্দ। তবে, লিখলেন, শুধু ট্যুইটার থেকেই উড়ে গিয়েছে শব্দটা। আসলে তাঁর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গিয়েছে ‘চৌকিদার’।

ট্যুইট করে তিনি লিখেছেন, ‘চৌকিদার শব্দটাকে আরও উন্নীত করতে হবে। এই উৎসাহ জাগিয়ে রাখতে হবে প্রত্যকটা মুহূর্তে, আর ভারতের উন্নতির জন্য কাজ করে যেতে হবে।

মোদী আরও জানিয়েছেন যে ট্যুইটার থেকে শব্দটা উড়ে গেলেও তাঁর সঙ্গে জড়িয়েই থাকবে শব্দটা। বিজেপির অনভান্য নেতা-কর্মীদেরও একই কাজ করতে বলেন তিনি।

আসলে বিজেপির ডিজিটাল প্রচারের অন্যতম একটা অংশ ছিল এই ‘চৌকিদার’ শব্দটি। ২০১৪-তে বিজেপির অ্যাজেন্ডা ছিল কালো টাকা ফিরিয়ে আনা। আর তার সঙ্গেই সম্পর্ক ছিল ‘চৌকিদার’ শব্দের। সব দূর্ণীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার বার্তা দিতেই জুড়ে দিয়েচিলেন চৌকিদার শব্দটি।

উল্লেখ্য, দুর্ণীতি রুখতে নোট বাতিলের মত পদক্ষেপ নেন মোদী। বিজয় মালিয়া ও নীরব মোদীর মত প্রতারকদের ফিরিয়ে আনার জন্য তাঁর উপর ছিল বিরোধীদের চাপ। তাই ‘চৌকিদার’ শব্দটা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।