স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: করোনা ভাইরাসের সংকটের মধ্যেও আমফান মোকাবিলায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পারফরম্যান্স দেখে খুশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার হেলিকপ্টারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে নিয়ে দুই ২৪ পরগনার বিপর্যস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন মোদী। সঙ্গে ছিলেন আরও চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

এর পরে বসির‌হাট কলেজে বৈঠক করেন। সেখানেই রাজ্যকে এক হাজার কোটি টাকা অর্থ সাহায্য ঘোষণার পাশাপাশি মোদী বলেন, “কোভিডের সঙ্গে লড়াই করতে গেলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। আবার আমফানের সঙ্গে লড়াই করতে গেলে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এরকম কঠিন পরিস্থিতিতে মমতাজির নেতৃত্ব পশ্চিমবঙ্গ খুব ভালো লড়াই করছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা সবাই ওঁদের সঙ্গে রয়েছি।”

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে ঘূর্ণঝড়ের দাপটে কমপক্ষে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের পরিবারবর্গকে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের তরফে আমি সমবেদনা জানাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “এটা বড় সংকটের সময় রাজ্যের কাছে। আমি মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের সঙ্গে অনেকটা এলাকা ঘুরে দেখলাম। এখন বাংলার পুনর্গঠন দরকার। আশা করব খুব তাড়াতাড়ি সেই লড়াইয়ে জয় পাবে রাজ্য।”

সেইসঙ্গে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের ভাই-বোনদের বলছি, এই কঠিন সময়ে কেন্দ্র আপনাদের পাশে রয়েছে।” এদিন রাজা রামমোহন রায়ের জন্মদিন। সেকথা উল্লেখ করে মোদী বলেন, “এমন মহান মানুষের জন্মদিনে বাংলায় আসতে পেরে আমি গর্বিত। এখন আশা করি রামমোহন রায়ের আশীর্বাদে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবে বাংলা।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।