দুমকা: ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনের চতুর্থ ও শেষ দফার প্রচারে এসেই সাম্প্রতিক নাগরিকত্ব আইন ঘিরে জ্বলন্ত পরিস্থিতি নিয়ে সরব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুমকায় বিজেপির জনসভায় তিনি বলেন, শরনার্থীদের সম্মান জানাতেই সরকার এই আইন এনেছে। লোকসভা ও রাজ্যসভা দুই কক্ষেই বিলটি পাস হয়েছে। এই আইনে দরিদ্র শরণার্থীদের সুবিধা হবে। এমনই জানালেন মোদী।

তিনি বলেন, যারা আইনের বিরোধিতা করে আগুন ধরাচ্ছেন তাদের পোশাকেই পরিচয় তারা তারা। বিজেপি দেশের লোকের ভালো চায়। এর জন্য বিজেপি ও সরকার দায়বদ্ধ। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন জারি হওয়ার আগে থেকেই প্রবল উত্তপ্ত উত্তর পূর্ব ভারত। অসমে ও ত্রিপুরা-তে সেনা নামানো হয়। অসমে প্রবল বিক্ষোভের কারণে গুলিতে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর আইন জারি হতেই অগ্নিগর্ভ পশ্চিমবঙ্গ। গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গের একের পর এক স্টেশনে আগুন. করানো, ট্রেনে আগুন, বাস পোড়ানো হয়েছে। আইনের বিরোধিতায় সংখ্যালঘু এলাকায় ক্ষোভ তুঙ্গে়।

ঝাড়খন্ডে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

আইনে বলা রয়েছে, প্রতিবেশী বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে আসা অ-মুসলিমদের সরাসরি নাগরিক করা হবে। আর আইনের বিরোধিতায় উত্তেজিত আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এই আইনের বলে মুসলিমদের দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিক করা ও দেশ থেকে বিতাড়িত করার ছক করেছে বিজেপি। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও জাতীয় নাগরিকপঞ্জিকরণের বিরোধিতা করেছে।

আবার বিরোধিতার নামে আগুন ধরানো ও ভাঙচুরের বিপক্ষে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । অসম ও পশ্চিমবঙ্গের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির প্রসঙ্গে ইঙ্গিতে টেনে দুমকার জনসভায় মোদী স্পষ্টই বার্তা দিয়েছেন বলে মনা করা হচ্ছে। সোমবার ঝাড়খণ্ডের চতুর্থ দফার নির্বাচন ।