নয়াদিল্লি:  খুব শীঘ্রই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে চলেছে। বেশ কিছু মন্ত্রকে ১০০ দিনের লকডাউনে কোন মন্ত্রকের পারফরম্যান্স কেমন, তার রিভিউ শুরু করছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর। কাজের হিসাব নেওয়া হবে। কোন মন্ত্রক কি কাজ করেছে সেই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাইবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

সেই রিভিউয়ের ভিত্তিতে এবং আগামী দিনে তাঁর মন্ত্রিসভায় রদবদল করা হতে পারে। সামনেই বিহার, বাংলা, অসমের বিধানসভা ভোট। সেই ভোটের দিকে তাকিয়ে কিছু রদবদল করা হবে মন্ত্রিসভায়। এই সমস্ত এলাকা থেকে লোকজনকে নিয়ে আসা হতে পারে বলে খবর। বাংলা থেকে মুকুল রায়কে মন্ত্রী করা হতে পারে বলে দীর্ঘদিন ধরে একটি জল্পনা রয়েছে। যদিও সেই জল্পনাতে জল ঢেলে দিয়েছেন খোদ মুকুল রায় নিজেই।

অন্যদিকে জানা যাচ্ছে, সদ্য রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়েছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তাঁকে মন্ত্রী করা হতে পারে বলে খবর। পাশাপাশি শোনা যাচ্ছে, কয়েকজন রাষ্ট্রমন্ত্রী ও পূর্ণ মন্ত্রীর পদে মুখবদল হবে। সবথেকে বড় জল্পনা চলছে অবশ্য সিনিয়র কয়েকজন মন্ত্রী বদলের।

প্রকাশিত এক খবর জানাচ্ছে, মন্ত্রিসভার রদবদলের সিদ্ধান্ত এবং নতুন মুখের আগমনের বিষয়টি জানেন তিনজন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। সম্প্রতি তাঁদের একটি বৈঠক হয়েছে। আর তা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আরএসএসের কয়েকজন আধিকারিকও।

রবিবার প্রধানমন্ত্রী দেখা করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে। যদিও রাষ্ট্রপতি হলেন চিফ কমান্ডার অব আর্মড ফোর্সেস। তাই লাদাখ থেকে ফিরে তাঁকে প্রথা অনুযায়ী সম্ভবত ব্রিফ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়ে কিছু কথা দুজনের মধ্যে হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি মোদী সরকারের তরফে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ