নয়াদিল্লি: সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে তাঁর তুলনা হয় না৷ ট্যুইটার, ফেসবুকে অগুণতি তাঁর ফ্যান ফলোয়ার৷ জনপ্রিয়তার নিরিখে দেশের তো বটে বিশ্বের তাবড় তাবড় নেতাদের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে দিয়েছেন৷ তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷

২০১৯ ওয়ার্ল্ড লিডারস অন ফেসবুকের রিপোর্ট বলছে, ফেসবুকে জনপ্রিয়তার নিরিখে মোদীই বিশ্বের একনম্বর নেতা৷ তাঁর পার্সোনাল পেজের লাইকের সংখ্যা ৪৩.৫ মিলিয়ন৷ আর অফিসিয়াল পেজে লাইক আছে ১৩.৭ মিলিয়ন৷ দুটি পেজ মিলিয়ে লাইকের সংখ্যা ৫৭.২ মিলিয়ন৷ মোদীর পরেই আছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ তবে লাইকের নিরিখে তিনি অনেক পিছিয়ে৷ ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজের লাইক আছে ২৩ মিলিয়ন৷ তৃতীয় স্থানে আছে জর্ডনের রানি রানিয়া৷ তাঁর ফেসবুক পেজে ১৬.৯ মিলিয়ন লাইক আছে৷

‘মিত্রো’দের প্রতি নানা বার্তা দিতে বারবার সোশ্যাল মিডিয়ার ব‍্যবহার করতে দেখা গিয়েছে নরেন্দ্র মোদীকে। ট্যুইটারে সমান সক্রিয়৷ নিয়মিত ট্যুইট করেন৷ কোনও অনুষ্ঠানের প্রতিটি আপডেট থাকে তাঁর ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে৷ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শিক্ষিত এক বিরাট অংশের মানুষের কাছে সহজে পৌঁছনো যেতে পারেন। এটা বিলক্ষণ বোঝেন বিচক্ষণ মোদী৷

সোশ্যাল মিডিয়ার পর আরও একটি মাধ্যমের সাহায্যে দেশের একটা বড় অংশের মানুষের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ স্থাপন করেন৷ সেটি হল রেডিও৷ প্রতি মাসের শেষ রবিবার অল ইন্ডিয়া রেডিওতে সম্প্রচারিত হয় ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান৷ সেখানে অরাজনৈতিক নানা বিষয় নিয়ে নিজের মনের কথা বলেন নরেন্দ্র মোদী৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তার দৌড়ে প্রধানমন্ত্রীর পরের জায়গাটা দখল করে আছেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা ২ কোটির বেশি।