লখনউ: প্রয়াগরাজে বিন্ধবাসিনী দেবীর মন্দিরে গিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। একে মন্দিরটি এলাকায় বেশ জনপ্রিয়। তার মধ্যে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সর্বভারতীয় স্তরের নেত্রী পদার্পন করেছেন। সেই কারণে অন্য দিনের তুলনায় ভিড়টা একটু বেশিই ছিল মঙ্গলবার। আর সেখানেই ঘটে গেল বড় বিপত্তি।

আরও পড়ুন- জন্ম হয়েছিল ইন্দিরার, সেই ঘরেই রাত কাটালেন প্রিয়াঙ্কা

কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদিকা এবং কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর বোন মন্দিরে যেতেই শোনা গেল ‘মোদী’র নামে জয়ধ্বনি। তখনও মন্দিরে রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। রাজীব তনয়াকে উদ্দেশ্য করেই তখন ভক্তরা বলতে শুরু করে দিয়েছে, “হর হর মোদী।” বেশ কিছুক্ষণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামে জয়ধ্বনি দেওয়ার পরে মন্দিরের ভক্তদের নিশানায় পরলেন প্রিয়াঙ্কা। সরাসরি তাঁকে আক্রমণ করে শ্লোগান দিল ভক্তরা। ভিড়ের মধ্যে থেকে শোনা গেল, “প্রিয়াঙ্কা গান্ধী মুর্দাবাদ।”

আরও পড়ুন- বিজেপির চৌকিদারের মত কংগ্রেসের হ্যাশট্যাগ হতে পারে ‘পাপ্পু’: অনিল ভিজ

সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে জোরকদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে রাহুল গান্ধীকে সাহায্য করলেও কখনও সরাসরি রাজনীতিতে ছিলেন না প্রিয়াঙ্কা। গত মাস থেকেই উত্তর প্রদেশে রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। রাজধানী লখনউ থেকে রাজনীতির ময়দানে যাত্রা শুরু করেন তিনি।

রবিবার থেকে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। প্রয়াগরাজ থেকে বারাণসী পর্যন্ত তিন দিনের নৌকায় যাত্রায় তিনি প্রচার শুরু করে দিয়েছেন ইতিমধ্যেই। প্রয়াগরাজে তাঁদের পূর্বপুরুষদের বাড়িতেই রাত কাটিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা।

আরও পড়ুন- একাধিক মন্ত্রীর দলত্যাগের সম্ভাবনা উসকে দিলেন বিজেপি ত্যাগী নেতা

মঙ্গলবার প্রয়াগরাজে বিন্ধবাসিনী মন্দিরে যান প্রিয়াঙ্কা। একই সঙ্গে ওই এলাকাতেই অবস্থিত খাজা জনাব ইসমাইল চিস্তির দরগায় যান তিনি। বিন্ধবাসিনী দেবীর মন্দিরে পুজো দেওয়ার সময়েই তাঁর বিরুদ্ধে শ্লোগান দিতে দেখা যায় একদল ব্যক্তিকে। যদিও এই ঘটনার পিছনে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, “ইচ্ছাকৃতভাবে কর্মীদের মন্দিরে পাঠিয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর বিরুদ্ধে শ্লোগান দেওয়া করিয়েছে বিজেপি। কোনও সাধারণ মানুষ এমন করেতে পারে না। সাড়া দেশ এখন মোদী এবং বিজেপির বিরুদ্ধে।”