নয়াদিল্লি: আমফান পরবর্তী রাজ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে পশ্চিমবঙ্গে আহ্বান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের সাহায্য পাওয়ার আগে রাজ্য সরকার আপাতত ক্ষতিপূরণের জন্য এক হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করেছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ দিন বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, একবার ভিজিট করুন। নিজে চোখে পরিস্থিতি দেখলেই বুঝতে পারবেন ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কতটা।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “আমফানের জন্য রাজ্যে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা খতিয়ে দেখে তা কেন্দ্রের কাছে পেশ করা হবে। তার পর দেখা যাক কত কী দেয় কেন্দ্র”। বৃহস্পতিবার নবান্নে এভাবেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাংলায় আসার আবেদন রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এহেন মন্তব্যের প্রায় ঘন্টাখানেকের মধ্যেই খবর আসে যে, বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

জানা যাচ্ছে, এরপরেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রশাসনিক তৎপরতা। মূলত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি আকাশপথে ঘুরে দেখার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সঙ্গে থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জানা যাচ্ছে, আগামিকাল শুক্রবার ১০.৪৫ মিনিটে অবতরণ করতে চলেছে প্রধানমন্ত্রীর এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। তারপর তাঁর গন্তব্য বসিরহাট।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দমদম বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি দেখবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ১১.২০ মিনিটে বসিরহাটে প্রধানমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থাকার কথা রয়েছে। সেই প্রশাসনিক বৈঠক সেরেই কলকাতায় ফেরার কথা প্রধানমন্ত্রীর।

সেখান থেকে ওডিশার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সুপার সাইক্লোন আমফানে বাংলার পাশাপাশি ওডিশাতেও আছড়ে পড়েছে। সেখানে এতটা তীব্রতা ছিল না। তবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সে রাজ্যেও। এমনটাই জানা যাচ্ছে। তাই বাংলার অবস্থা দেখেই ওডিশাতে চলে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

জানা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে যাতে এই সফরে মুখ্যমন্ত্রী থাকেন সে ব্যাপারে বিশেষ আগ্রহী প্রধানমন্ত্রী। কারণ, পরিস্থিতি নিজের চোখে দেখে আকাশপথে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আগামী পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা করে নিতে চান প্রধানমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।