নয়াদিল্লিঃ কিছুক্ষণের মধ্যেই দিল্লিতে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘ আড়াই বছর পর দেখা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর। ইতিমধ্যে দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন থেকে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের দিকে রওনা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। ঠিক বিকেল সাড়ে ৪টে থেকে এই বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

বাসভবন থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৈঠক শেষে কি আলোচনা করা হল তা সবাইকে জানানো হবে। একদিকে রাজীব কুমার ইস্যুতে যখন ক্রমশ রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে ঠিক সেই সময় মোদী-মমতার এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক কারবারিরা।

ইতিমধ্যে এই বৈঠক নিয়ে বিরোধীদের দাবি, রাজীব কুমারকে বাঁচাতেই নাকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বিজেপি নেতারাও। তাঁদের দাবি, গত আড়াই বছরে একাধিক বৈঠক ডাকা হলেও আসেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মোদীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও দেখা পাওয়া যায়নি মমতাকে। রাজীবকে বাঁচানোর জন্যেই প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাধ্য হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। যদিও এহেন দাবি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের খোঁজা, যিনি কিনা ভোটে জিততে পারেননা তাঁর মুখে এই সব কথা মানায় না। তবে রাজীব কুমার ইস্যুতে তাঁর মন্তব্য, আইন আইনের পথে চলবে।

রাজনৈতিক তরযা যাই থাকুক না কেন, তবে সূত্রের খবর, মোদীর সঙ্গে বৈঠকে রাজ্যের একাধিক বিষয়ে দাবি জানাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের নাম বদল নিয়ে ইতিমধ্যে রাজ্য বিধানসভায় আইন পাশ হয়েছে, কিন্তু কেন্দ্র এই বিষয়ে কোনও কিছুই পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এই বিষয়টিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে বৈঠকে তুলবেন মুখ্যমন্ত্রী। বিভিন্ন প্রকল্পে টাকা দেওয়া থেকে শুরু করে ফান্ডিং নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। তবে সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে অপব্যবহার করা নিয়েও আওয়াজ তুলতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে শেষে প্রধানমন্ত্রী কি বলেন সেটাই এখন দেখার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।