ওয়াশিংটন: ক্ষমতায় আসার পরই মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সখ্যতা তৈরি হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। সেই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন বারাক ওবামা। আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট বদলেছে, কিন্তু ভারতে ফের ক্ষমতায় এসেছেন নরেন্দ্র মোদী। নয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও তার বন্ধুত্ব চোখে পড়েছে। সম্প্রতি আমেরিকাকে ওষুধ পাঠিয়ে ট্রাম্পের প্রশংসাও কুড়িয়েছে মোদী।

তবে হোয়াইট হাউসে ভারতকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়, সেটা প্রমাণিত হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া।

হোয়াইট হাউসের নিজস্ব যে ট্যুইটার হ্যান্ডেল আছে সেখান থেকে মাত্র ১৯ জনকে ফলো করা হয়। আর তার মধ্যেই রয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। বিশ্বের অন্য কোনও রাষ্ট্রনেতাকে ফলো করে না হোয়াইট হাউস। ফলো করা ১৯ টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে তিনটি ভারতীয়। একটি নরেন্দ্র মোদীর নিজস্ব অ্যাকাউন্ট, একটি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অফিশিয়াল টুইটার হ্যান্ডেল ও আরেকটি ভারতের প্রেসিডেন্টের টুইটার অ্যাকাউন্ট।

এই তিনটি ভারতীয় অ্যাকাউন্ট ছাড়া ওই তালিকায় কেবল মার্কিনীদের নাম রয়েছে। ফলো করা হয় ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স এর মত লোকজনকে।

এমনিতেই ট্যুইটারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ফলোয়ার সংখ্যা অনেক। বিশ্বের রাষ্ট্রনেতাদের মধ্যে সবথেকে বেশি ফলোয়ার থাকা তালিকায় তিন নম্বরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পোপ ফ্রান্সিসে পরেই রয়েছে মোদীর নাম। এই মুহূর্তে তার ফলোয়ারের সংখ্যা ৪২ মিলিয়ন।

বুধবার রাতে ট্যুইটারে ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়ে ট্রাম্প লিখেছেন, “কঠিন সময়ে বন্ধুদের সহযোগিতা বেশি করে দরকার হয়। হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ভারত এবং ভারতবাসীকে ধন্যবাদ। কখনও ভুলব না। ধন্যবাদ নরেন্দ্র মোদী। আপনার নেতৃত্ব শুধুই ভারতের নয়, গোটা মানবজাতির”।

হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন কসিকলোর নামে ম্যালেরিয়ার ওই ওষুধের ২৯ মিলিয়ন ডোজ ইতিমধ্যেই রওনা হয়েছে আমেরিকার উদ্দেশ্যে। গুজরাত থেকে জাহাজে করে পাঠানো হচ্ছে সেই ওষুধ।

 

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও