ঢাকা: বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আগামী ২৬ মার্চ ঢাকায় থাকবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী। দুই দেশের কূটনীতির সম্পর্ক স্থাপনের ৫০ বছর পূর্তি এই অনুষ্ঠানের অঙ্গ।

নয়াদিল্লি থেকে ঢাকা ফিরে বিদেশ সচিব মাসুদ বিন মোমেন জানিয়েছেন, কূটনৈতিক আলোচনায় দিন ঠিক করা হয়েছে। ভারত সরকারের সবুজ সংকেত মিলেছে। তিনি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামী ২৫ অথবা ২৬ মার্চ ঢাকা সফরে আসতে পারেন। সেই সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে ২৭ মার্চ।

বাংলাদেশের বিদেশ সচিব নয়াদিল্লিতে বৈঠক করেন ভারতের বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে। শ্রিংলা ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার ছিলেন। পরে বাংলাদেশের বিদেশ সচিবের সঙ্গে বৈঠক হয় ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের।

জানা গিয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচির আগেই ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে ঢাকায় আসবেন সেদেশের বিদেশমন্ত্রী জয়শংকর। মনে করা হচ্ছে, মোদীর ঢাকা সফরে বহু প্রতীক্ষিত তিস্তা জলবন্টন চুক্তির রাস্তা প্রশস্ত হবে।

বাংলাদেশের বিদেশ সচিব জানিয়েছেন, তিনি বলেন, দিল্লি সফরে ভারতের সঙ্গে অভিন্ন নদীর দল বন্টন ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে। তিস্তার জল বন্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। তিস্তা চুক্তি নিয়ে হতাশা ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে এই চুক্তির ব্যাপারে অবশ্যই আশাবাদী।

তিস্তা নদী ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের ভিতর দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুখা মরশুমে তিস্তার জল বন্টনে রাজি নন। ফলে চুক্তি এখনো আটকে আছে। বাংলাদেশের দাবি, আন্তর্জাতিক নদী তিস্তার জলের অধিকার তাদেরও।

এছাড়া কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন উপহার দেওয়ায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।