কাঠমাণ্ডু: নেপাল সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ সংশোধিত সংবিধান তৈরির পর তাঁর প্রথম নেপাল সফর৷ নতুন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির আমন্ত্রণেই গিয়েছেন মোদী৷ যদিও এই সফরকে দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক আলোচনায় ফেলা হয়নি৷

‘প্রতিবেশীর বন্ধুত্ব’-কে বরাবরই গুরুত্ব দিয়েছেন মোদী৷ তাই কর্ণাটক নির্বাচনের প্রচার সেরে পাড়ি দিলেন হিমালয় কন্যার দেশে৷ সফরের প্রথম দিনই ‘রামায়ন সার্কিট’পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলেন মোদী৷ সফরের প্রথমেই নেপালের জনকপুরের জানকি মন্দির পরিদর্শনে যান তিনি৷ সেখানেই ‘রামায়ন সার্কিট’গড়ে তোলার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী৷ তিনি জানান, রামায়ন সার্কিটের মধ্যে থাকবে ভারত-নেপালের মোট ১৫ টি ধর্মস্থান৷ ধার্মিক পর্যটনকে উন্নত করতেই ভারত-নেপালের এই উদ্যোগ৷ ধর্মস্থানগুলির মধ্যে থাকবে অযোধ্যা, নন্দীগ্রাম ,চিত্রকূট সহ অন্যান্য ধার্মিক স্থান৷

জনকপুরের পর সফর তালিকায় কাঠমাণ্ডু৷ প্রধানমন্ত্রী ওলির সঙ্গে বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষর করবেন মোদী৷ বসবেন কূটনৈতিক বৈঠকে৷ কাঠমাণ্ডু -বিহারের রেল প্রকল্প (জনকপুর থেকে জয়নগর)নিয়েও দুই পক্ষের আলোচনার সম্ভাবনা৷ সংবিধান সংশোধনের পর নেপালের জাতীয় নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে কমিউনিস্ট-মাওবাদী জোট৷ এরপরেই চিন ক্রমশ আগ্রহ বাড়িয়েছে নেপালের উপর৷ তাতেই উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি৷

ড্যামেজ কন্ট্রোলের জন্যই মোদীর নেপাল সফর বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল৷ কারণ, ২০১৬ সালে ভারতে এসে মোদীর সমালোচনা করেছিলেন ওলি৷ তিনি জানিয়েছিলেন, নেপালের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বন্ধ করুক ভারত৷ তারপর থেকেই ভারত-নেপাল সম্পর্কে বেশ চিড় ধরে৷ পরে একাধিক কূটনৈতিক সফর করেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্র ও বিদেশ মন্ত্রী৷