নয়াদিল্লি: দেশ কাঁপছে করোনা ভাইরাসে। কিন্তু বহুবছর ধরে চলে আসা প্রথা পরম্পরা মানা হচ্ছে কম বেশি করে। উৎসবে করোনা হুল ফুটিয়েছে ঠিকই, কিন্তু মনে মনে নিজেদেরকে উৎসবের জন্য প্রস্তুত করছেন সাধারণ মানুষ। হয়তো ঘটা করে অনুষ্ঠান হবে না, কিন্তু উৎসবের আবহ থাকবে ঠিকই। আর সেই উৎসবের আমেজের কথা মাথায় রেখেই দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

তিনি জানান, দেশের নানা প্রান্তে বিভিন্ন উৎসবে মানুষকে অভিনন্দন। মোদী বলেন, এই উৎসবগুলি ভারতে ভ্রাতৃত্বের মনোভাবকে আরও গভীর করে তুলুক। আনন্দ ও সুস্বাস্থ্য বয়ে আনুক।

এরপরেই মোদীর বার্তা, এই উৎসবের মধ্যে দিয়ে শক্তি নিয়ে আমরা যেন কোভিড ১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারি। নিজের টুইটারে এই বার্তা দিয়েছেন পধানমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবারেই শেষ হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ২১ দিনের লকডাউনের সময়সীমা। যা ইঙ্গিত, তাতে স্পষ্ট এই লকডাউনের মেয়াদ বাড়বে। মঙ্গলবার সকাল ১০ টা নাগাদ এই সংক্রান্ত ঘোষণা করবেন মোদী। আগামী দিনগুলিতে দেশের মানুষ ঠিক কোন রাস্তায় হেঁটে করোনার বিরুদ্ধে লড়বেন, তাঁর দিকনির্দেশ করা হবে সকাল ১০ টা থেকে।

উল্লেখ্য, দেশজুড়ে লকডাউন করা হলেও সোমবার পর্যন্ত দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩৫২ জনে। মৃত্যু হয়েছে ৩২৪ জনের। সেরে উঠেছেন ৯৮০ জন। তবে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য যদি লকডাউন না করা হত, তবে এতদিনে আক্রান্ত কয়েক লক্ষ হত ও মৃত্যু হত হাজারে হাজারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।