নয়াদিল্লি : সোমবার বড়সড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এদিন তিনি বলেন কেন্দ্রের তরফ থেকে পুজোর উপহার দেওয়া হবে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের। এই উপলক্ষ্যে বিশেষ স্কিমের কথা ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী।

জানানো হয়েছে, কেন্দ্র এবার এলটিসি ক্যাশ ভাউচার স্কিম ও স্পেশাল ফেস্টিভ্যাল অ্যাডভান্স স্কিম নিয়ে এসেছে। যেখানে তাঁদের এলটিসি এনক্যাশ করাতে পারবেন কর্মীরা। এছাড়াও সমস্ত গেজেটেড ও নন গেজেটেড অফিসারকে স্পেশাল ফেস্টিভ্যাল অ্যাডভান্স হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। তবে এই স্কিম একবারই ব্যবহার করতে পারবেন কর্মীরা।

এক সাংবাদিক বৈঠকে অর্থমন্ত্রী সীতারমণ বলেন এতদিন এলটিসির টাকায় শুধু জিএসটি আওতাভুক্ত দ্রব্য কেনা যেত। এখন থেকে তাঁরা নিজেদের ইচ্ছামত দ্রব্য ক্রয় করতে পারবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে বাজারে চাহিদা বাড়াতে ও ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত। আগামী বছরের ৩১শে মার্চ পর্যন্ত এই স্কিম চালু থাকবে। ২০২১ সালের ৩১শে মার্চের মধ্যে এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন কর্মীরা।

অর্থমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন যে পণ্যগুলির জিএসটি ১২ শতাংশ বা তার ওপরে, কেবল মাত্র সেই পণ্যগুলিই কিনতে পারবেন এই স্কিমের মাধ্যমে। ডিজিটাল লেনদেন করতে হবে পণ্য কেনার সময়, এমনই নির্দেশ কেন্দ্রের। তবেই ব্যবহার করা যাবে এই স্কিম। সেক্ষেত্রে জিএসটি বিল জমা দিতে হবে।

এদিন অর্থমন্ত্রী দাবি করেন এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাজারের চাহিদা বাড়বে। যার পরিমাণ হতে পারে ২৮ হাজার কোটি টাকা। এদিকে এদিনই ঘোষণা করা হয়েছে স্পেশাল ফেস্টিভ্যাল অ্যাডভান্স স্কিম অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত ভাতা পেতে চলেছে সরকারি কর্মীরা। এজন্য কোনও সুদ দিতে হবে না।

সপ্তম পে কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী উৎসব ভাতা তুলে দেওয়া হলেও বাজারের চাহিদা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এবছর তা চালু করা হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হলেও, তা সর্বোচ্চ ১০টি ইনস্টলমেন্টে ফেরত দিতে পারেন কর্মীরা। ২০২১ সালের ৩১শে মার্চের মধ্যে এই অর্থ খরচ করতে পারবেন তাঁরা বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।