ফাইল ছবি৷

নয়াদিল্লি: ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে মোদী সরকার নোটবন্দির ঘোষণা আরবিআই এর মত ছাড়াই করেছিল৷ ডেক্কন হেরাল্ড সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী আরটিআই থেকে পাওয়া তথ্য এমনই বলছে৷ রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে আরবিআই বোর্ডের বৈঠক নোটবন্দির ঘোষণার ঠিক আঢ়াই ঘন্টা আগে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় হয়েছিল৷ বোর্ডের মতামত পাওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নোটবন্দির ঘোষণা করে দেন৷

এই সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী আরবিআই ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৬ সালে সরকারের প্রস্তাবে মত দিয়েছিল৷ তার মানে ঘোষণার ৩৮ ঘন্টা পর আরবিআই এই মত দেয়৷ আরটিআই এক্টিভিস্ট ভেঙ্কটেশ নায়ক যে তথ্য তুলে ধরছেন সেই তথ্যে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করা রয়েছে৷ এই তথ্য অনুযায়ী অর্থ দফতরের প্রস্তাবের একাধিক বিষয়ে আরবিআই বোর্ড সহমত ছিল না৷

অর্থ মন্ত্রকের অনুযায়ী ৫০০ এবং১০০০ টাকার নোটে ৭৬% এবং ১০৯% এর দরে বারছিল যেখানে অর্থব্যবস্থা ৩০% এর দরে বাড়ছিল৷ এই বিষয়ে আরবিআই এর মত ছিল মুদ্রাস্ফিতি কে মাথায় রেখে এই অন্তর খুবই কম৷ আরবিআই এর মত ছিল কালো টাকা নগদের থেকে অনেক বেশি সোনা বা সম্পত্তির রুপে রয়েছে৷ আর নোটবন্দির প্রভাব কালো ব্যাবসায় খুবই কম পরবে বলে মনে করছিল আরবিআই৷ শুধু তাই নয় আরবিআই এর মতে নোটবন্দীর প্রভাব অর্থব্যবস্থার উপর খারাপ প্রভাব পরবে৷

এই তথ্য সামনে আসার পর আরও একবার নোটবন্দি কে ঘিরে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠতে পারে৷ যেখানে মোদী সরকার নোটবন্দী কে তাদের উপলব্ধি হিসেবে দেখাচ্ছে সেখানেই এবার নোটবন্দি কে ঘিরে মোদী সরকার এবং আরবিআই এর ভিন মতের কথা প্রকাশ্যে আসছে৷ মনে করা হচ্ছে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে নোটবন্দি এবং জিএসটি কে দুই পক্ষই হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবে৷ তবে আরটিআই থেকে এই তথ্য প্রকাশ্যে আসায় ফের মোদী সরকার কে বিতর্কের মুখে পড়তে হবে বলে মনে করছে বিভিন্ন মহল৷