নয়াদিল্লি: ফের মোদী সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। শুক্রবার কংগ্রেস সাংসদ পি চিদাম্বরম আক্রমণ শানিয়ে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারকে ‘নিষ্কর্মা’ আখ্যা দিয়েছেন।

একাধিক ট্যুইট করেছেন কংগ্রেসের রাজ্যসভা সাংসদ। চিদাম্বরম বলেছেন, “মোদী সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোনও বিষয়ে কিছু করবে না। সে অর্থনীতি হোক বা অতিমারি করোনা, ১৩৮ কোটি মানুষের ভাগ্য ভগবানের নামে ছেড়ে দিয়েছে”।

সাম্প্রতিক সময়ে লাদাখ সীমান্তে ভারত-চিন সংঘাত নিয়ে চিদাম্বরম জানিয়েছেন, “ভারতীয় ভূখণ্ডে চিনা অনুপ্রবেশের ঘটনায় সরকার এমন ভূমিকা নিয়েছে যা দেখে মনে হয় কেন্দ্রের কিছুই করার নেই, চিনের উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাই মোদী সরকারকে ‘নিষ্কর্মা’ আখ্যা দেওয়াই যায়”।

ভারতের অর্থনীতির দিকে তাকিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ইকোনমিক অ্যাডভাইসারি কাউন্সলের দু’জন অর্থনীতিবিদকে বিঁধে আক্রমণ শানিয়েছেন।

একজন বলছেন অর্থনীতি ৫ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করবে। কেউ বলছে ১ শতাংশ বাড়বে। পঙ্গু হেডলাইটের মতন অবস্থা সরকারের, কোনও দিকে যেতেই সক্ষম নয়।

করোনা সংকট মোকাবিলার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কুড়ি কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। তারপর পাঁচ দিন ধরে ওই প্যাকেজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বেশ কিছু ঘোষণা করেন। এদিন চিদাম্বরম টুইট করে ওই আর্থিক প্যাকেজের তুলোধোনা করেছেন।

প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর অভিযোগ, ‌ দেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবনের জন্য যে প্যাকেজ প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী মিলে ঘোষণা করেছেন সেটা জিডিপির এক শতাংশেরও কম। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করেছেন তা জিডিপির ১০ শতাংশ।

বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতার প্রশ্ন তুলেছিলেন, রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস যখন জানাচ্ছেন চাহিদা একেবারে তলানিতে, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে আর্থিক বৃদ্ধি শূন্যের তলায় চলে যাবে সেখানে আবার কেন সুদের হার কমিয়ে বাজারের টাকা যোগানের পথে হাঁটা হল? তার অভিমত, এক্ষেত্রে তো রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নরের কেন্দ্রকে বলা উচিত ছিল দেশের আর্থিক পুনরুজ্জীবনের জন্য সরকার যেন সরকারের কাজটা করে।

পাশাপাশি তার প্রশ্ন, রিজার্ভ ব্যাংক দেশের যে আর্থিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছে তাতে আদৌ আর্থিক প্যাকেজ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী কোনরকম বড়াই করতে পারেন কি?

পাশাপাশি লকডাউনের জেরে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ স্তব্ধ হয়ে যাওয়ায় রিজার্ভ ব্যাংক মনে করছে চলতি আর্থিক বছরে ২০২০-২১ সালে বৃদ্ধির বদলে সংকোচন হবে। তবে অর্থবর্ষে দ্বিতীয় অর্ধে কিছুটা অবস্থা উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।