নয়াদিল্লি: ক্রমশ বাড়ছে সংক্রমণ। করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আশার আলো দেখাতে পারেনি কেউই। যদিও ভারত বায়োটিক আগামী জুন মাসের মধ্যেই করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে আসার জন্যে কাজ চালাচ্ছে। আর এরই মধ্যে কেন্দ্রের তরফে বড় ঘোষণা।

যদিও কিছুটা বিতর্কের মধ্যে পড়েই বড় ঘোষণা করতে বাধ্য হল কেন্দ্র।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতাপ সারঙ্গী জানিয়েছেন, দেশের মানুষকে একেবারে বিনামূল্যে কোভিড টিকা দেওয়ানো হবে। এও জানালেন যে, বিনামূল্যে কোভিড টিকা দিতে মাথাপিছু সরকারের খরচ হবে ৫০০ টাকা করে।

বিহার ভোটকে সামনে রেখে ইস্তেহারে বিহারের মানুষকে বিনামূল্যে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। যা নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে থাকে যে যেখানে মানুষ মরছে সেখানে ভ্যাকসিন নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে।

চলতি সপ্তাহেই বিহারে তিন দফার বিধানসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হচ্ছে। তার আগেই বিজেপি বিহারে এভাবে বিনামূল্যে কোভিড টিকা দেওয়ার ঘোষণা করায় সমালোচনায় সরব হন বিরোধীরা। তাঁদের প্রশ্ন অতিমারীকেও কি ভোট পাওয়ার হাতিয়ার করতে চাইছে বিজেপি।

এই পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, নির্বাচনী ইস্তেহারেই এই আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তার আগে অবশ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ঘোষণা করেছিলেন দেশের আপামর মানুষকে কোভিড টিকা দেওয়া হবে বিনামূল্যে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. হর্ষ বর্ধন আগেই জানিয়েছেন, আগামী বছরের জুলাই মাসের মধ্যে ২৫ কোটি ভারতবাসীকে ভ্যাক্সিন দেওয়ার টার্গেট নিয়েছে কেন্দ্র।

করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্র কীভাবে দিন রাত কাজ করে চলেছে, সেকথা উল্লেখ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভ্যাক্সিন একবার প্রস্তুত হয়ে গেলেই বেশির ভাগ মানুষের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে কেন্দ্র। জুলাই মাসের মধ্যে অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাক্সিন কেন্দ্রের হাতে আসবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ইতিমধ্যেই গোটা বিশ্বকে ভ্যাক্সিন দিয়ে সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

রাষ্ট্রসংঘে তিনি বলেন, ‘ভারতই বিশ্বের সবথেকে বড় ভ্যাক্সিন উৎপাদনকারী দেশ। তাই আজ গ্লোবাল কমিউনিটিকে আশ্বাস দিয়ে বলতে চাই, এই ক্রাইসিসে পুরো মানবজাতিকে সাহায্য করতে ভ্যাক্সিন উৎপাদন ও ডেলিভারি করবে ভারত।’

তিনি জানিয়েছেন, ভারত ফেজ ৩ ট্রায়ালের দিকে এগোচ্ছে। ১৫০ টি দেশে চিকিৎসা সংক্রান্ত সাহায্য করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মোদী।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।