ফাইল ছবি৷

নয়াদিল্লিঃ  কৃষকদের উপার্জন দ্বিগুণ করতে চায় দ্বিতীয় মোদী সরকার। আর সেজন্যে বেসরকারি বিনিয়োগের উপর জোর দিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। মোদীর তৈরি হাই-কমিটি এমনটাই প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দ্বিতীয় মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই কৃষকদের আর্থিক ক্ষেত্রকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেন প্রধানমন্ত্রী। আর সেই মতো তৈরি হয় কমিটি।

আর সেই কমিটিই কৃষিক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলছে। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক কৃষকরাও যাতে চাষের ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে বলে জানিয়েছে এই কমিটি।

বাংলা এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর মোতাবেক কৃষির ভবিষ্যৎ এবং রূপান্তর প্রসঙ্গে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নাবিশকে আহ্বায়ক করে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গড়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি এই কমিটি নিজেদের মধ্যে বৈঠকে বসেন। সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে কৃষিঋণ, সৌরশক্তি, ন্যাশনাল এগ্রিকালচার মার্কেটিং, ক্ষুদ্র সেচ ইত্যাদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশে জোর দেওয়া হয়েছে ২০২২ অর্থাৎ আগামী তিন বছরের মধ্যে কী করে কৃষকদের উপার্জন দ্বিগুণ করা যায়, তা নিয়েই।

এবং সেখানেই উৎপাদন বাড়ানোর দিকে যেমন জোর দেওয়া হয়েছে, তেমনি বেসরকারি বিনিয়োগের কথাও বলা হয়েছে। বাংলা ওই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর মোতাবেক কৃষিক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াটা খুব প্রয়োজন। আর তা না বাড়লে দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোনও গতি পাবে না বলেই কমিটির বেশিরভাগ সদস্যের মত। একইসঙ্গে এপিএমসি আইনের সংস্কারও প্রয়োজন বলেই আলোচনা হয়েছে। চুক্তি চাষ নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ক্রমশ বদলাচ্ছে সময়। প্রযুক্তি নির্ভর হচ্ছে কৃষি। কিন্তু দেশের অনেক কৃষকই এই সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ফলে থমকে যাচ্ছে কৃষকদের উন্নয়ন। কিন্তু মোদী সরকার চায় কৃষকদের উন্নয়ন। আর সেজন্যে আগামী তিন বছরের মধ্যে যাতে কৃষকদের উপার্জন দ্বিগুণ করা যায় সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। আর তা করতে হলে চাষের খরচ যেমন কমাতে হবে, একইসঙ্গে উৎপাদন বৃদ্ধির দিকেও জোর দিতে হবে বলে মনে করছে ওই কমিটি।