নয়াদিল্লি: যাতে বেসরকারি ক্ষেত্র পেট্রোল ডিজেল বিক্রিতে আরো বেশি করে অংশ নিতে পারে তার জন্য নিয়ম বিধি আরো সহজ করছে মোদী সরকার। একটি সর্বভারতীয় সংবাদপত্রে এমন প্রতিবেদন বেরিয়েছে। পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের নতুন সহজ গাইডলাইন অনুসারে পেট্রোল ডিজেল বেচার জন্য আবেদন করতে গেলে সেই সংস্থার অন্তত ১০০টি রিটেইল আউটলেট থাকা দরকার এবং নিট সম্পত্তি ২৫০ কোটি টাকা হওয়া উচিত।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পেট্রোপণ্য বিপণনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ ও শর্ত তুলে দিয়ে সরকার মুক্ত নীতি নিয়েছে এবং জ্বালানি বিপণন ও পরিবহনের ক্ষেত্রে দেশে বৈপ্লবিক সম্ভাবনা রয়েছে।

নয়া গাইডলাইন অনুসারে, আবেদনপত্র সরাসরি করা যাবে মন্ত্রকে। কোনও বেসরকারি ক্ষেত্রের সঙ্গে বিদেশি সংস্থা পেট্রোল এবং ডিজেলের পাইকারি এবং খুচরা বিক্রয় করার অনুমতি পেতে পারবে। সরকারের লক্ষ্য হল বিকল্প পথে জ্বালানি দেয়াতে উৎসাহিত করা এবং খুচরো নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি যাতে সুদূর প্রান্তের গ্রাহকদেরও উচ্চস্তরের পরিষেবা দেওয়া যায় ।

মোটের উপর ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা গুলি পেট্রোপণ্য বিপণন করে থাকে, যে গুলি হল- ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন, হিন্দুস্থান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন, ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন, নুমালিগড় রিফাইনারি, ম্যাঙ্গালোর রিফাইনারি এন্ড পেট্রোকেমিক্যালস, ভারত ওমান রিফাইনারি। তাছাড়া কিছু বেসরকারি সংস্থা রয়েছে যেমন- রিলায়েন্স, এসার,শেল।

এছাড়া পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক অনুসারে, ২০১৯ সালের ১মে এদেশে ৩১৩টি টার্মিনাল, ১৯২টি এলপিজি বটলিং প্লান্ট, ৬৪,৭০৩টি রিটেইল আউটলেট, ২৩,৭৫৭টি এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর এবং ৬৫২৮টি লাইট ডিজেল অয়েল এবং সুপিরিয়ার কেরোসিন অয়েল ডিলার রয়েছে দেশে।

অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সম্প্রতি সর্বক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার জন্য খুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদীর আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের অধীনে । তিনি জানিয়েছেন, শীঘ্রই ঘোষণা হবে স্ট্র্যাটেজিক সেক্টরে যেখানে সীমিতভাবে অংশ নেওয়া যাবে সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানিতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।