নয়াদিল্লি: দেশ জুড়ে এই মুহূর্তে চলছে লক ডাউন। আর যার জেরে স্তব্ধ একাধিক পরিষেবা। কিন্তু প্রয়োজনীয় দ্রব্যর মধ্যে ওষুধ থাকলেও অনেক সময়েই টা পেতে যথেষ্ট অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে সাধারণকে। তবে তার মধ্যে পাওয়া গেল এক আশার আলো। জানা গিয়েছে কেন্দ্রীয় ক্যামিক্যাল এবং ফার্টিলাইজার মন্ত্রীসভার অন্তর্গত একাধিক প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জনৌষধি কেন্দ্রে ই মেল এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ওষুধের অর্ডার দেওয়া যাচ্ছে।

এই নয়া পদক্ষেপের ফলে সাধারণের কাছে যথেষ্ট সুবিধাদায়ক বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে অর্ডার দেওয়ার পরে বাড়িতে এসে ওষুধের ডেলিভারি দেওয়া হবে। তবে অর্ডার দেওয়ার আগে রোগীর প্রেসক্রিপশন আপলোড করা বাধ্যতামূলক।

এই মুহূর্তে যেহেতু লক ডাউনের জেরে কার্যত সব ধরনের পরিবহন বন্ধ রয়েছে সেক্ষেত্রে এটি যথেষ্ট সুবিধাদায়ক। এই কেন্দ্রের আধিকারিকের তরফে জানা গিয়েছে নয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুব সহজে মানুষের কাছে পৌঁছে তাদের পরিষেবা কম সময়ের মধ্যে দেওয়া যাচ্ছে।যার জেরে বিপদের মধ্যে পড়তে হচ্ছে না মানুষজনকে।

প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জনৌষধি কেন্দ্র মূলত প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জনৌষধি পরিজজনার আওতাধীন হয়ে কাজ করে। জানা গিয়েছে এই মুহূর্তে ৭২৬ টি জেলাতে প্রায় ৬৩০০ গুলি কেন্দ্র রয়েছে। সেখান থেকে সাধারণ মানুষদের পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে।

অনেক কম দামে এই ওষুধ পাওয়াতে সাধারণ মানুষজন অনেক সুবিধা পাচ্ছেন। প্রতিটা রাজ্যতে সুদক্ষ এবং প্রশিক্ষিত কর্মীরা এই কাজ করে চলেছেন। যাতে লক ডাউনের মধ্যে সাধারণকে কোন অসুবিধার মধ্যে পড়তে না হয়। এই পরিষেবা দেওয়াতে লক ডাউনের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।