স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: অবশেষে মোদী সরকারের থেকে বুলবুলের আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনার মোকাবিলায় প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের বাবদ রাজ্যগুলির পাওনা গন্ডা মিটিয়ে দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই বাবদ বকেয়া প্রায় ১১০০ কোটি টাকা পেতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।

বুলবুলের পর কেন্দ্রের কাছে ২৩ হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতির হিসেব দাখিল করেছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু একটাকাও ক্ষতিপূরণ দেয়নি বলে অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে করোনা ভাইরাসের মোকাবিলার জন্য সেই ক্ষতিপূরণের টাকা চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

শুধু নিজের রাজ্যের জন্যই নয়, করোনাভাইরাস প্রভাবিত সব রাজ্যের জন্য বিশেষ আর্থিক প্যাকেজের দাবি জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার করোনা-পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদল বৈঠক ডেকেছিলেন তিনি।

বৈঠকে অসংগঠিত শ্রমিকদের আর্থিক সহযোগিতা করার মতো একাধিক বিষয়ে দাবি জানিয়েছিলেন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর উদ্দেশে সেসময় বলেছিলেন, ‘‘ বুলবুলের টাকা দিতে। আমি সেই টাকা খরচ করবো।’’ পরে সব দলের সই করা আর্থিক দাবির চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো হয়।

শেষপর্যন্ত সেই দাবি মানলেন মোদী-শাহরা।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দেশের ৭টি রাজ্যের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষয়ক্ষতি বাবদ বকেয়া ছিল ৫,৭৫১ কোটি টাকা। সেই টাকা এবার দিতে চলেছে তারা। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বকেয়া ১,০৯৮ কোটি টাকা। বুলবুল ও অন্যান্য ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি বাবদ এই টাকা কেন্দ্রের কাছে বকেয়া ছিল রাজ্যের।

পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও মহারাষ্ট্রের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১,৭৫৮ কোটি টাকা। কেরলের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১,১৯৮ কোটি টাকা। এছড়া বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের জন্য ক্ষতিপূরণ পেতে চলেছে বিহার, ওড়িশা, নাগাল্যান্ড, কর্নাটক ও রাজস্থান।

শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজ্যে লকডাউন নিয়ে খোঁজখবর নেন। মুখ্যমন্ত্রীকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, রাজ্যের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে পেরে সন্তোষপ্রকাশ করেন তিনি। গরিবদের জন্য প্রধানমন্ত্রী যে আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন, সেজন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুলবুলের টাকা মুখ্যমন্ত্রী কিভাবে খরচ করেন এখন সেটাই দেখার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।