লাহোর : কেন্দ্রের বিরোধিতা করতে গিয়ে দেশকে ছোট করছেন না তো? কংগ্রেস নেতা ও সাংসদ শশী থারুরের বক্তব্যে তেমন প্রশ্ন উঠতেই পারে। পাকিস্তানের লাহোরে এক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন শশী থারুর। এদিন তিনি বলেন ভারতের থেকে অনেক বেশি দক্ষতার সাথে করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করছে পাকিস্তান।

দেশে করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে একেবারেই ব্যর্থ কেন্দ্রের মোদী সরকার বলে জানিয়ে এদিন থারুর বলেন মানুষ মোদী সরকারের ভূমিকা নিয়ে অত্যন্ত অসন্তুষ্ট। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বারবার মোদী সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরেছেন। মানুষকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন যে কীভাবে করোনাকে কেন্দ্র করে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।

এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই বিতর্কের ঝড় উঠেছে। পাকিস্তানের সাহিত্য সম্মেলনে কীভাবে দেশকে ছোট করতে পারলেন থারুর, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভার্চুয়াল সাহিত্য সম্মেলনের নামে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি করার ফল যে অনেক দূর গড়াবে, তার ইঙ্গিত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে, দেশে ক্রমে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণ। শেষ ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হলেন ৬১ হাজার ৮৭১ জন। এই সময়ের মধ্যে আরও মৃত্যু হয়েছে ১০৩৩ জনের।

দেশে নতুন সংক্রমণের জেরে মোট আক্রান্তের পরিসংখ্যান দাঁড়িয়েছে ৭৪ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫৫২ জন। এরমধ্যে আক্টিভ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩১১। সুস্থ হয়ে উঠেছে মোট ৬৫ লক্ষ ৯৭ হাজার ২১০ জন। মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বাড়ায় এখন অবধি দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৩০১।

অন্যদিকে এবার রাশিয়ার তৈরি করোনার ভ্যাকসিন এদেশে পরীক্ষায় ছাড়পত্র দিল ভারত সরকার। শনিবারই একথা জানানো হয়েছে রাশিয়ার তরফে। রাশিয়ার ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও ভারতের ডক্টর রেড্ডি’জ ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড রাশিয়ার তৈরি করোনার ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চালাবে।

শুরুতে রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিন ‘স্পুটনিক’-এর এদেশে ব্যাপক হারে পরীক্ষায় ছাড় দিতে চায়নি সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন। তবে শনিবার রাশিয়াকে তাদের তৈরি ভ্যাকসিনের পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন দিয়েছে ভারত সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।