নয়াদিল্লি: নজরে বছর শেষের বিধানসভা নির্বাচন। বিহারের বিজেপি নেতা-কর্মীদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন নরেন্দ্র মোদী। অতিমারীর মধ্যেও জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে বিহারের বিজেপি নেতা-কর্মীরা সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাঁদের সেবা করে চলেছেন বলে মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

শনিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজ্যের দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। ভার্চুয়াল এই কথোপকথনে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বাভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

সেই ভার্চুয়াল কথোপকথনেই বিহারের বিজেপি কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গেল মোদীর মুখে। ‘করোনা মোকাবিলায় অভূতপূর্ব কাজ করেছেন বিহারের বিজেপিকর্মীরা। তাঁদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’ এভাবেই বিহার বিজেপি নেতৃত্বকে চাঙ্গা করতে তৎপরতা দেখালেন মোদী।

করোনা আবহে দলের কাজ কীভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে রাজ্যগুলিতে, তা নিয়ে আলোচনা করতেই শনিবার দলের রাজ্য নেতৃত্বগুলির ভার্চুয়াল কথোপকথন পর্ব শুরু করেন দলের শীর্ষ নেতারা।

বছরের শেষেই বিহারে বিধানসভা ভোট। তাই বিহার নিয়ে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্বের। দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করতেই প্রধানমন্ত্রী বিহার বিজেপি নেতা-কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন বলে মত রাজনৈতিক মহলের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।