নয়াদিল্লি: দেশে ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণের জেরে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংক্রমণে লাগাম টানতে কী করণীয় তা নিয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উল্লেখ করেন, দেশে করোনা সংক্রমণ ফের বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তিনি বলেন, দেশে ৯ কোটিরও বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হয়ে গিয়েছে। ৪৫ বছরের বেশি বয়ষ্কদের টিকাকরণ আরও দ্রুত করতে হবে বলেও তিনি জানান।

অন্যদিকে বৈঠকে ১১-১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ‘দেশজুড়ে ‘টিকা উৎসব’ এর ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশাপাশি করোনা নিয়ে সকলকে সচেতন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মাস্ক পরা ছাড়াও সকলকে যে করোনা বিধি অবশ্যই মানতে হবে, সেকথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন মোদী।

অন্যদিকে এখনই যে সম্পূর্ণ লকডাউনের দিকে দেশ হাঁটতে চাইছে না, সেকথাও এদিন জানিয়ে দিলেন নমো। তিনি জানান, মাইক্রো কন্টেনমেন্ট জোনের দিকে নজর দেবে সরকার। অর্থাৎ অত্যাধিক সংক্রামিত এলাকাগুলিকে কন্টেনমেন্ট জোন করে বিচ্ছিন্ন করার কথাই ভাবা হচ্ছে।

আরও খবর পড়ুন – করোনা নিয়ে বৈঠক, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় যোগ দিলেন রাজ্যের মুখ্য সচিব

সাধারণ মানুষকে আশ্বাস দিয়ে মোদী বলেন, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সব ব্যবস্থা এখন আমাদের রয়েছে। এমনকি এখন ভ্যাকসিনও রয়েছে। তবে একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের ওপর ক্ষোভও প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগের তুলনায় মানুষ এখন অনেক বেশি অসতর্ক হয়ে উঠেছে।

করোনাকে রোধ করতে গেলে যে করোনা পরীক্ষার ওপরেও জোর দিতে হবে, সেকথাও জানিয়েছেন মোদী। তিনি বলেন, প্রাথমিক লক্ষণগুলিতে আমাদের ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। তিনি বলেন, “আমাদের টেস্টিং-এর সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে। যে করেই হোক পজিটিভিটি রেটকে ৫ শতাংশের নীচে আনতেই হবে।”

উল্লেখ্য, মোদীর এই ভার্চুয়াল বৈঠকে হাজির ছিলেন, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধ্ব ঠাকরে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকতে না পারলেও তাঁর জায়গায় ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন জানিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের কারণে বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন মমতা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।