জয়পুর: প্রচারে আইপিএলের সঙ্গেও সন্ত্রাসদমন প্রসঙ্গ জুড়ে দিলেন মোদী৷ ভোট বৈতরণী পারে গুরুত্বপূর্ণ নতুন ভোটরদের মন জয়৷ লক্ষ্যপূরণে তাই প্রধানমন্ত্রী মোদীর হাতিয়ার আইপিএল৷

২০০৯ ও ২০১৪-র স্মৃতি উস্কে মোদী এদিন পূর্বসুরি মনমোহন সিং সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করেন৷ ভোট থাকতেই পারে, কিন্তু কেন জনপ্রিয় এই টুর্নামেন্টের জন্য দেশের মাটিতে সুরক্ষার বন্দোবস্ত করা গেল না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী৷

আরও পড়ুন: মুসলিম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসেই নিষিদ্ধ বোরখা, বিতর্ক

শুক্রবার রাজস্থানের কারাউলিতে প্রচার করেন প্রধানমন্ত্রী৷ সেখানেই আইপিএলকে জড়িয়ে নিশানা করেন আগের সরকারকে৷ প্রচারসভায় তিনি বলেন, ‘‘দেশের তরুন প্রজন্ম আইপিএল নিয়ে প্রবল উৎসাহী৷ কিন্তু আইপিএলের ইতিহাসে দু দু’বার এই টুর্নামেন্ট বিদেশের মাটিতে খেলতে বাধ্য করা হয়েছে৷ কারণ সেই সময়কার কেন্দ্রের সরকার জঙ্গিদের প্রচণ্ড ভয় পেত৷ সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনে সেই সরকারের কোনও চেষ্টাও ছিল না৷’’

মোদীর সংযোজন, ‘‘২০০৯ ও ১৪ সালে আইপিএল ও সোকসবা ভোট একসঙ্গে হওয়ার কথা ছিল৷ কিন্তু জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল পুলিশ প্রশাসন ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকবে৷ তাই আইপিএল করা সম্ভব নয়৷’’ এরপরই প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের আমলের খতিয়ান তুলে ধরেন৷ বলেন, ‘‘ভোট চলছে৷ এবার তার মধ্যেই হনুমান জয়ন্তী, রামনবমী পালিত হয়েছে৷ সামনেই রমজান৷ তাও পালন করা হবে নির্বিঘ্নেই৷ কিন্তু আইপিএলও চলছে একই সঙ্গে৷’’

পুলওমা, বালাকোটে এয়ার স্ট্রাইকের পর কেন্দ্রের মোদী সরকার জিরো টলারেন্সের নীতি গ্রহণ করে৷ মোদী জানিয়ে দেয় জঙ্গি দমনে তাঁর সরকার পিছপা হবে না৷ জঙ্গিদমনের সহ্গে দেশাত্ববোধকে এক করে তুলে ধরা হয় গেরুয়া শিবিরের প্রচারে৷ দিন করেক আগেই এসেছে কূটনৈতিক সাফল্য৷ জতু ইশ জঙ্গি সংগঠন মাসুদ আজহারকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে রাষ্ট্রসংঘ৷ যাকে মোদী সরকারের কৃতীত্ব বলে দাবি করছে বিজেপি৷ এবার সেই দাবির তালিকায় জড়িয়ে নেওয়া হল আইপিএলকেও৷

আরও পড়ুন: তাণ্ডবের জন্য তৈরি থাকুন, আজ আইপিএলের সর্বকালীন রেকর্ড ভাঙতে পারেন রাসেল

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই আইপিএল টুর্নামেন্ট হওয়ার কথা ছিল৷ কিন্তু ইউপিএ সরকার জানিয়ে দেয় ভোটের কাজে পুলিশ প্রশাসন ব্যস্ত থাকবে৷ তাই হাইপ্রোফাইল ওই টুর্নামেন্ট ভোটের সময় করা যাবে না৷ তাই সেইবার আইপিএল অনুষ্টিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়৷ একই ঘটনা ঘটে পাঁচ বছর পর ২০১৪ সালেও৷

এদিন প্রচারে আইপিএলের জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করেন প্রধানমন্ত্রী৷ জানান, তাঁর নাম শুনলে জঙ্গিরাও এখন ভয়ে কাঁপে৷ তাই সুষ্টুভাবেই একদিকে বোট, অন্যদিকে বাকি সব বিষয়গুলি বাস্তবায়িত হতে পারছে৷ যা সরকারে অন্যতম সাফল্য৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।