নয়াদিল্লি: রাজনীতির নাটক এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। কর্ণাটকে ক্লাইম্যাক্সের পথে টানটান বিধানসভা নির্বাচন। কখনও নজিরবিহীনভাবে মধ্যরাতে সুপ্রিম কোর্ট ছুটছে কংগ্রেস তো কখনও রাতের অন্ধকারে এক রিসর্ট থেকে অন্য রাজ্যের পাঁচতারা হোটেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিধায়কদের। এসবের মধ্যে জেডিএস নেতা দেবেগৌড়াকে ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

নিজেই ট্যুইট করে জানালেন ফোন করার কথা। সাত সকালেই তিনি ফোন করেছিলেন বর্ষীয়ান এই নেতা তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেবেগৌড়াকে। কারণ, শুক্রবার দেবেগৌড়ার জন্মদিন। শুভেচ্ছা জানাতেই ফোন করেছিলেন বলে জানান নরেন্দ্র মোদী। যদিও নিছক শুভেচ্ছার বাইরে রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিতও খুঁজে পাচ্ছে রাজনৈতিক মহল।

বর্তমানে কর্ণাটকে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। শপথ নিয়েছেন ইয়েদুরাপ্পা। কিন্তু ১৫ দিনের মধ্যে আস্থাভোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে বিজেপিকে। তাই আপাতত বিধায়কদের সরিয়ে রাখছে কংগ্রেস ও জেডিএস।

ইতিমধ্যেই নিখোঁজ দুই কংগ্রেস বিধায়ক। দল ছেড়েছেন আরও একজন। এই অবস্থায় বিধায়কদের টিকিয়ে রাখতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে কংগ্রেস ও জেডিএস।

ঘোড়া কেনা-বেচা রুখতে বিধায়কদের বেঙ্গালুরুর ঈগলটন রিসর্টে রাখা হয়েছিল। কিন্তু এদিন সেই রিসর্টের বাইরে থেকে সরকারি নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন কংগ্রেস নেতা কে এইচ মুনিয়াপ্পা। তারপরই দুই দলের নেতারা আলোচনা করে ঠিক করেন, রাজ্যে বিধায়করা থাকলে অর্থ ও পদের লোভ দেখিয়ে দল ভাঙানোর চেষ্টা চলবেই। তাই ‘অপারেশন কমল’ বানচাল করতে তড়িঘড়ি বিধায়কদের অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।