অপেক্ষা শুধু মোদীর।

কলকাতা: ৩০ জানুয়ারি তৃণমূলের ঐতিহাসিক সমাবেশের বুধবার বিজেপির ব্রিগেড সমাবেশ মর্যাদা রক্ষার পালা৷ বিশেষ করে পরিবর্তিত এই রাজ্যে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্তী নরেন্দ্র মোদীর এই সমাবেশেকে কেন্দ্র করে তাই রাজনৈতিক মহলে জোর উত্তেজনা৷ বামশাসনের অবসানের পর পুরনো সঙ্গী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  রাজ্যে কী থাকতে পারে ‘নমো’র ভাষণে? এই নিয়েই এখন চলছে জোর জল্পনা৷ তবে, বিজেপি সূত্রে পাওয়া গিয়েছে মোদীর ভাষণে কী থাকতে পারে, তার একটা খসড়াও তৈরি হয়েছে৷

গেরুয়া শিবির সুত্রে জানা গিয়েছে, মোদীর ভাষণে উঠে আসতে পারে রাজ্যের ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনা। বিশেষত, রাজ্যের ঘটে যাওয়া একাধিক ধর্ষণের ঘটনা, আইন শৃঙ্খলা প্রসঙ্গ, এমনকি সারদা-কাণ্ডও উঠে আসতে পারে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণে। রাজ্য বিজেপি সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে এই বিষয়ে একটি নোট পাঠানো হয়েছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে। নোটে রাজ্যের একাধিক ধর্ষণের ঘটনা সহ বেশকিছু সাম্প্রতিক বিষয়ের উল্লেখ করা হয়েছে। নোটে উল্লেখ করা বিষয়গুলিতে ইতিমধ্যে অনুমোদন দিয়েছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। অনুমোদন দেওয়া বিষয়গুলির উপরেই মূলত বক্তব্য রাখতে পারেন নরেন্দ্র মোদী।
সূত্রের খবর, রাজ্যে প্রাসঙ্গিক কোন কোন বিষয়গুলির উপর জোর দেওয়া যায় সেই বিষয়ে রাজ্য বিজেপির কাছে তথ্য জানতে চেয়েছিল বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি। শুধুমাত্র রাজ্যের সাম্প্রতিক বিষয় নয়, এই মুহূর্তে পশ্চিমবাংলায় বামেদের কি অবস্থান রয়েছে তাও জানতে চাওয়া হয়েছিল রাজ্য বিজেপির কাছে। প্রায় সব কিছুই উল্লেখ করে একটি প্রায় তিরিশ পাতার একটি নোট পাঠানো হয়েছিল বিজেপির তরফ থেকে।
লোকসভা ভোটের কয়েকমাস বাকি থাকতে থাকতে জোরদার প্রচার শুরু করেছেন নরেন্দ্র মোদী। দেশের প্রত্যেক প্রান্তে মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন। জনসভা করছেন। সেখানকার সমস্যাগুলি কার্যত চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছেন তিনি। আঞ্চলিক ভিত্তিতে রাজনৈতিক সমীকরণ ঠিক করতেই এই সিদ্ধান্ত বিজেপির। তাতে মানুষের কাছে অনেক বেশী গ্রহণ যোগ্য হওয়া যাবে বলে মত রাজ্য বিজেপির।
অন্যদিকে, মোদীর সভায় অনলাইন বুকিং মানুষের মন কেড়েছে। শেষবেলা পর্যন্ত মানুষের যথেষ্ট সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে।