ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাসের আবহেই চলছে রমজান। এরইমাঝে শুভেচ্ছা জানাতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশাপাশি খোঁজ নিয়েছেন করোনা পরিস্থিতির।

জানা গিয়েছে, দুই প্রতিবেশি দেশ কিভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে মারণ COVID-19 পরিস্থিতির মোকাবিলা যৌথভাবে করতে পারে সেই বিষয়েও কথা বলেছেন।

এই বিষয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ট্যুইট করে জানিয়েছেন, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং দেশের মানুষদের রমজানের অভিনন্দন জানাতে কথা বলেছি। আমাদের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়েছে, শুধু তাই নয় ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে মারণ ভাইরাসের মোকাবিলা করতে পারবে, কি কি রাস্তায় একে অপরকে সাহা্য্য করতে পারবে তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে”।

এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে”। এমন আশ্বাস দিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

বুধবারের টেলিফোনিক আলোচনায় ভারতের তরফে করোনা সংক্রমণ রুখতে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। মহামারীর স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এবং অর্থনৈতিক প্রভাবের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

এদিনের আলোচনায় সড়কপথে, রেলপথে, নদীপথে এবং আকাশপথে প্রয়োজনীয় জিনিসের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার জন্য একে অপরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। মার্চ মাসের ১৫ তারিখে সার্ক আওতাভুক্ত দেশগুলির আলোচনা থেকে উন্নতি হওয়ার বিষয়টিকে এসেছে এদিনের কথোপকথনে।

করোনা প্রভাবে স্থানীয় পরিস্থিতির দিকগুলির প্রসঙ্গ এসেছে এদিনের আলোচনায়, তেমনই দুই দেশ কিভাবে তা মোকাবিলা করবে তা দেখা হয়েছে।

এছাড়াও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর কলম্বিয়া, জামাইকা। গ্রেনাডা, লেবানন, ত্রিনিদাদ এবংg টোব্যাগো এবং উরুগুয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।

প্রবল করোনা সংক্রমণের মধ্যে দিয়েই যাচ্ছে বাংলাদেশ। সামাজিক সংক্রমণের কথা আগেই জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। রাজধানী শহর বাংলাদেশের করোনা হটস্পট বলে চিহ্নিত। দেশজুড়ে মৃত ১৫০ ছাড়িয়ে আরও বাড়ছে। এই অবস্থায় ২ হাডার রেগীর জন্য় বিরাট আইসোলেশন সেন্টার তৈরি করার কাজে চমকে দিল বাংলাদেশ। দু’হাজার বেডের আইসোলেশন সেন্টারের পাশাপাশি ৭১ বেডের আইসিইউ ইউনিট থাকবে।

চিকিৎসা বেডের পাশাপাশি থাকবে ডাক্তার, নার্স, সার্পোটিং স্টাফদের কেবিনও থাকবে বিবিসি জানাচ্ছে ঢাকায় ইন্টারন্যাশানাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় কোভিড নাইনটিন রোগীদের জন্য অস্থায়ী আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত করার কাজ পুরোদমে চলছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।