নিউ ইয়র্ক: ভ্যাক্সিনের জন্য প্রচেষ্টা চলছে দুনিয়া জুড়ে। বিশ্বের তাবড় সব দেশে চলছে গবেষণা। ইতিমধ্যেই অনেক দেশই প্রাথমিক সাফল্য পেয়েছে। এবার আশা দেখাচ্ছে আমেরিকা। মার্কিন সংস্থা ‘মডার্না’র দাবি, সংস্থার ভ্যাক্সিন ইঁদুরের উপর প্রয়োগ করে দেখা গিয়েছে তা ভাইরাস রুখতে সক্ষম।

mRNA-1273 নামে এই ভ্যাক্সিন অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সক্ষম বলে জানা গিয়েছে। তিন সপ্তাহের ফারাকে দুটি ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে ইঁদুরগুলিকে।

প্রথম ভ্যাক্সিন দেওয়ার ৭ সপ্তাহ বাদেও সাফল্য এসেছিল। এবার ১৩ সপ্তাহ বাদেও দেখা গিয়েছে করোনার আক্রমণ থেকে বেঁচে গিয়েছে ওইসব ইঁদুর। NIAID ভ্যাক্সিন রিসার্চ সেন্টার ও ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস যৌথভাবে এই গবেষণা চালিয়েছে।

এদিকে, ভ্যাক্সিন প্রায় তৈরি, একথা আগেই জানিয়েছিল রাশিয়া। এবার মস্কোর তরফ থেকে পরিকল্পনা করা হয়েছে যে, অক্টোবরেই ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে। মাস ভ্যাক্সিনেশন অর্থাৎ বহু মানুষকে একসঙ্গে ভ্যাক্সিন দেওয়ার পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে।

রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাশকো এমনটাই জানিয়েছেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসক ও শিক্ষকদের এই ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে।

মস্কোর গামালেয়া ইনস্টিউট এই ভ্যাক্সিন তৈরি করেছে ও রাশিয়ার ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড এই ভ্যাক্সিনের হিউম্যান ট্রায়াল করেছে।

ব্লুমবার্গ রিপোর্ট জানাচ্ছে, গামালেয়া ভ্যাকসিন শর্তসাপেক্ষে অগস্টে নথিভুক্ত করা হবে। এর অর্থ হলো ব্যবহারের জন্য অনুমতি দেওয়া হচ্ছে তবে পাশাপাশি তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা-নিরীক্ষা কাজ চলবে।

সেপ্টেম্বর মাস থেকে এই ভ্যাকসিন উৎপাদন শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল যতদিন না সম্পূর্ণ হচ্ছে ততদিন তা শুধুমাত্র চিকিৎসকরাই সেটা নিয়ন্ত্রণ করবে।

যদিও বিজ্ঞানী এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছে তাড়াহুড়ো করে ভ্যাকসিন বের করার ব্যাপারে। তারা চাইছেন, নিরাপত্তা এবং কার্যক্ষমতার ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়ে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন করা উচিত নয়।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও