ওয়াশিংটন: সবার প্রথম ভ্যাক্সিন তৈরি করার কথা ঘোষণা করেছিল রাশিয়া। তাদের স্পুটনিক-ভি-ই বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাক্সিন। যদিও একাধিক দেশে ভ্যাক্সিন এখনও গবেষণা চলছে বিভিন্ন স্তরে।

এরই মধ্যে আশার আলো দেখিয়ে মার্কিন সংস্থা Moderna জানাল যে, তাদের তৈরি ভ্যাক্সিন ১০০ শতাংশ কার্যকর।

এবার Emergency Use Authorization অর্থাৎব জরুরি ভিত্তিতে এই ভ্যাক্সিন দেওয়ার জন্য আবেদন জানাতে চলেছে মডার্না। একইসঙ্গে ইউরোপিয়ান মেডিসিন এজেন্সির কাছে মার্কেটিং-এর জন্যও আবেদন জানাবে বলে বিবৃতিতে দাবি করেছে ওই সংস্থা।

যদিও US Food and Drug Administration এই ভ্যাক্সিনের কার্যকারিতা সম্পর্কে ইতিবাচক ইঙ্গিত দেয়, তাহলে ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতেই কয়েক লক্ষ মার্কিনিকে এই ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে।

একই সঙ্গে আবেদন জানাচ্ছে Pfizer ও BioNTech . তাদের ভ্যাক্সিন ১০ ডিসেম্বরের মধ্যেই চলে আসতে পারে।

ভ্যাক্সিনের দৌড়ে পিছিয়ে নেই ভারতও। এমনটাই ইঙ্গিত মিলল সিরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আদর পুনাওয়ালার বক্তব্যে।

পুনের ওই সংস্থার কর্ণধার গত শনিবার জানিয়েছেন, শীঘ্রই তাঁরা জরুরিভিত্তিতে ভ্যাক্সিন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করার আবেদন জানাবেন। সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই আবেদন জানাবেন বলে উল্লেখ করেছেন পুনাওয়ালা।

চলতি মাসের শুরুতে পুনাওয়ালা জানিয়েছিলেন যে তাঁদের চেষ্টা থাকবে যাতে, ভারতে আগে ভ্যাক্সিন সাপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয়। আগে নিজের দেশে দিয়ে তবেই অন্যান্য দেশে ভ্যাক্সিন পাঠাতে চাইছে এই সংস্থা।

এর আগে অ্যাস্ট্রাজেনেকা অক্সফোর্ডে তৈরি ভ্যাকসিনে কিছু সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়েছিল। এরপরেই বিতর্কের ঝড় ওঠে। দেশে ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে আসরে নামে সেরাম। তারপরেই সেরাম বিবৃতি দেয়। সেরাম জানিয়েছে ভ্যাকসিন নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। সব দিক বিবেচনা করেই তা তৈরি করা হচ্ছে।

এদিকে, ডিসেম্বরের শুরুতেই যদি অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের তৃতীয় ট্রায়ালের ফল পজিটিভ হয়, তবেই ভ্যাকসিন বাজারে অনুমোদনের পরেই নিয়ে আসা হবে। এমনই আশার কথা শুনিয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা। এই সংস্থা জানাচ্ছে অক্সফোর্ডের কোভিশিল্ড মানব শরীরে ৯০ শতাংশ কার্যকরী প্রমাণিত হবে। যতগুলি ভ্যাকসিন নিয়ে বিশ্বে কাজ হচ্ছে, তার মধ্যে অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিনটি সবথেকে বেশি কার্য়করী ও নিরাপদ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।